পুলক রাজ
লকডাউন দিয়ে আমাদের মতো গরিবদের পেটে লাথি মারা হয়েছে। কাজ করতে না পারলে পরিবার চালাবো কেমন করে। এমনিতেই দু’মুঠো ভাতের জন্য হিমশিম খেতে হয়। বলছিলেন আলফাত স্কয়ার এলাকার মুচি বাবু লাল। এখানেই প্রতিদিন জুতা মেরামতের কাজ করেন তারা।
লকডাউনের পর থেকে মানুষের আনাগোনা কম থাকায় রোজগারও কমেছে। সুরেশ রবি দাস বলেন, অফিস আদালত বন্ধ, মানুষ গ্রামের বাড়ি চলে গেছে। হঠাৎ জুতা সেলাই করার জন্য আসে কেউ। এরকম চলতে থাকলে নিজে কি খাবো, আর পরিবারকে কি খাওয়াবো।
মো. শহিদুল্লাহ বলেন, রাত পোহালেই পেটকে শান্তি করার জন্য কাজে নেমে যেতে হয় কাজে। আমরা মুচিরা দিন আনি দিন খাই, এরকম লকডাউন যদি থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
লক্ষণ রবি দাস বলেন, গতবছর না খেয়ে অনেক দিন পার করেছি। লকডাউনের কারণে আমাদেরও রুজি হচ্ছে না। না খাইলে আমরা বাঁচবো কেমন করে।