- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

লন্ডনে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

মতিয়ার চৌধুরী, লন্ডন
লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন করা হয়েছে। গত ২১ নভেম্বর (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় টেমস নদীর তীরে ৪ আলবার্ট এমবেকমেন্ট লেমবাথে এ উপলক্ষে আয়োজিত হয় সম্বর্ধনা ও ডিনারপার্টি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন ব্রিটিশ সেনা নৌ বাহিনীর সদস্য, এমপি, লর্ডসভার সদস্য, লন্ডনে কর্মরত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কুটনীতিক, বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও ৭১‘র শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা।
লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের কাউন্সেলার মি. আবেদিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের ডিফেন্স এডভাইজার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ.কে.এম. আমিনুল হক এএফসি, পিএসসি, সিএসই। স্বাগত বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার আমিনুল হক শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।
তিনি বলেন, জাতির জনক ৭১‘র ৭ই মার্চ জাতিকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হওয়ার আহবান জানান। এরপর থেকে বাঙালি জাতি যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। তিনি আবার ২৬ মার্চ সরাসরি স্বাধীতার ঘোষণা দেন। অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল এম এ জি ওসমানীকে প্রধান করে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ, তৎকালীন পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে যে সব বাঙালি ছিলেন তাদের অনেকেই পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।’ তিনি মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় বাহিনীর অবদানের কথা শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন। স্মরণ করেন তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে।
অতিথিদের সাথে নিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কেক কাটেন লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের হাইকমিশনার নাজমুল            
কাওনাইন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেলর এ.কে.এম. আমিনুল হক এএফসি, পিএসসি, সিএসই।
লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক শান্তি মিশনে কাজ করে আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। দেশের দুর্যোগ মুহূর্তে দেশবাসীর পাশে দাঁড়ায় সেনাবাহিনী। বর্তমানে রোহিঙ্গা শরণর্র্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী।
অনুষ্ঠানে সশস্ত্রবাহিনী দিবসে একটি ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করা হয়। সব শেষে আগত অতিথিদের সম্মানে আয়োজন করা হয় নৈশভোজের।  

  • [১]