স্টাফ রিপোর্টার
দোয়ারাবাজারে লাম্পি স্কিন রোগে শতাধিক গরুর মৃত্যুর বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন জেলা প্রাণী সম্পদ অফিস।
এর আগে একটি জাতীয় দৈনিকে দোয়ারাবাজারে লাম্পি স্কিন রোগে শতাধিক গরু মৃত্যুর বিষয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। সেই প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে এর তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়।
এ বিষয়ে শনিবার একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে শতাধিক গরু মারা যাওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। তবে মাঝে তীব্র গরমের সময় কিছু গরু শরীরে এই রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছিল। ধীরে ধীরে সেসব গরু সুস্থ হয়ে উঠছে। ওইসব এলাকায় টিকা ক্যাম্পেইন কর্মসূচি চলছে।
বাংলাবাজার ইউনিয়নের পশ্চিম পাইকপাড়া গ্রামের দোকানি সুমন মিয়া বলেন, এতো গরু মারা যাওয়ার খবর ঠিক না। তবে দু-একটা গরু মারা গেছে, সেটাও ৫-৬ মাস আগে। তবে এই রোগে মারা গেছে কি না তা নিশ্চিত না।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, তীব্র গরমের সময় এই রোগের বিস্তৃতি মারাত্মক ছিল। তবে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হলেও এতো পরিমাণে গরু মারা যায়নি। এতো গরু মারা গেলে ইউপি সদস্য হিসেবে অবশ্যই আমার কানে আসত।
জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, এই সংবাদটি দেখার পর ডিজি স্যার আমাকে ফোন দিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান। আমি শনিবার দিনব্যাপী দোয়ারাবাজার উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গিয়েছি, মানুষের সাথে কথা বলেছি। গরমের সময় কিছু গরু আক্রান্ত হওয়ার প্রকোপেফ কথা জানিয়েছেন। এখন ঠান্ডা পড়ায় সেই প্রকোপ নেই। আক্রান্ত গরু সুস্থ হয়ে উঠছে। গরু মারা যাওয়ার বিষয়টি একদমই সঠিক না।