আকরাম উদ্দিন
জেলা সদরের সঙ্গে বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুর উপজেলার যাতায়াত সড়কের লালপুর গ্রামের পাশের সেতুর দুই পাশের অ্যাপ্রোচের মাটি সরে গেছে। পাকা সড়কের প্রায় অর্ধেক ভেঙে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। সেতুর ভাঙন এলাকা দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছেন ঐ সড়কে চলাচল কারীরা। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, এই সেতুর আশপাশে কয়েক ব্যক্তি মাটির বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ করেন। এই কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে পানির চাপে প্রথমে বাঁধ ভাঙে, পরে প্রবল বেগে পানি সড়কে ধাক্কা দেয়। এ সময় সেতুর উভয় পাশের অ্যাপ্রোচ ভেঙে যায়। প্রতি বছরই অ্যাপ্রোচের কিছু কিছু কিছু অংশ ভাঙতে ভাঙতে এবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে। ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। স্থানীয়রা সেতুর আশপাশ এলাকায়
বাঁধ দেয়া বন্ধের দাবি জানান।
স্থানীয় বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, সুনামগঞ্জ- বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুর সড়কের এই সেতু এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হয়। যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
কলেজ শিক্ষার্থী আব্দুল হামিদ বলেন, এই সেতুর উপর দিয়ে দুই উপজেলার মানুষ চলাচল করেন। অনেক সময় বড় আকারের গাড়িও আসা-যাওয়া করে এই সড়ক দিয়ে। সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় গাড়ি চলাচল ঝুঁকি হয়ে গেছে।
লালপুর গ্রামের রহমত আলী ও জিয়াউর রহমান জরুরিভিত্তিতে মেরামতের দাবি জানালেন।
গাড়ি চালক শাহীন মিয়া বলেন, গাড়ি চালানোর সময় সতর্ক থাকতে হয়, নইলে নিমিষেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বললেন, লালপুর সেতুর অ্যাপ্রোচে জরুরি ভিত্তিতে কিছু কাজ করা হয়েছে। স্থায়ী কাজের জন্যও প্রাক্কলন তৈরি করা হচ্ছে। আশপাশে সড়ক ও জনপথের জায়গা থেকে মাটির বাঁধও সরানো হয়েছে।