- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

শনিবার ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন জেলায় ৩,৮৫,০৮৯ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর টার্গেট

স্টাফ রিপোর্টার
আগামী ১৬ জুলাই শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পেইন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করার লক্ষে জেলা সদরে অবস্থানরত গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ওরিয়েন্টশন কর্মশালা করেছে সুনামগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন অফিস। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় জেলা ইপিআই ভবনের এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় জেলায়  কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্র মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গৌতম রায়ের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল হাকিম। কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন ডা. মফিজুল হক।
কর্মশালায় সাংবাদিকদের অবগত করা হয় শনিবার ভিটামিন খাওয়ানোর কেন্দ্রে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সের প্রত্যেক শিশুকে একটি নীল রং এর ভিটামিন ‘এ’ (১ লক্ষ আই ইউ) ক্যাপসুল ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সের প্রত্যেক শিশুকে একটি লাল রং এর ভিটামিন ‘এ’ (২ লক্ষ আই ইউ) ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জেলার ১১ উপজেলার ৮৮টি ইউনিয়নে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সের ৪০ হাজার ৬০৯ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সের ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৪৮০ শিশুসহ মোট ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর টার্গেট হাতে নিয়েছেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। প্রতিটি উপজেলা সদরসহ মোট ২ হাজার ৩১১ টি ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইন সেন্টারে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। দিরাই,শাল্লা, ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার ৯৪৫ টি দুর্গম এলাকার কেন্দ্রেও ক্যাপসুর খাওয়ানো হবে। ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য শিক্ষক, ছাত্র, স্বেচ্ছাসেবক, এনজিওকর্মী, ভার্ড, ব্র্যাক, সানক্রেড, এফআইডিবিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৬ হাজার ৯৩৩ জন কর্মী মাঠে কাজ করবে। ৩২০ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ৩৭৮ জন পরিবার কল্যাণ সহকারি শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য ওই দিন কাজ করবে।
কর্মশালায় সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম বলেন,‘ ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিক শিশুমৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যে আগামী ১৬ জুলাই জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সারা দেশের ন্যায় সুনামগঞ্জ জেলায় ৬- ১১মাস এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুদের ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। যাতে করে কোন শিশু ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো থেকে বাদ না পরে সেদিকে দৃষ্টি রাখতে শিশুর অভিভাবকসহ সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। সময়মত ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানোর কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে।

  • [১]