স্টাফ রিপোর্টার, তাহিরপুর
‘হাওরের স্থায়ী বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা’ শিরোনামে দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরে সংবাদ প্রকাশের পর শনিবার সকালে বগিয়ানি স্লুইসগেট খুললেন ইউপি সদস্য মিয়া হোসেন। তবে পানির চাপ বেশী থাকায় ফলবোর্ড ওঠানো সম্ভব হয়নি। কোন রকম গেটের প্রতি লাইন থেকে ৪টি করে ফলবোর্ড উঠানো হয়।
তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিয়া হোসেন জানান, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ’র নির্দেশে শনিবার সকালে তিনি কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে শনির হাওরের বগিয়ানি স্লুইস গেটের ফলবোর্ড খোলার চেষ্টা করেন। নদীতে পানির চাপ বেশী থাকায় ফলবোর্ড ওঠানো সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় কোন রকম গেটের প্রতি লাইন থেকে ৪টি করে ফলবোর্ড উঠানো সম্ভব হয়।
তবে যে অবস্থায় হাওরে পানি প্রবেশ করছে তাতে আগামী এক মাসেও হাওরে ৫০ ভাগও পানি পরিপূর্ণ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন হাওরপাড়ের কৃষকরা। এ অবস্থায় নদীর পানি আরো বৃদ্ধি হলে হাওরের যে কোন দিক দিয়ে স্থায়ী বাঁধ ভাঙ্গার সম্ভাবনা রয়েছে।
পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পিযুষ পুরকায়স্থ টিটু বলেন, মে মাসের ১১ তারিখ সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এক সভায় শতভাগ ধানকাটা শেষ হলে নির্দিষ্ট রেগুলেটর দিয়ে হাওরে পানি প্রবেশ করানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়। শনির হাওরে ১৫ দিন পূর্বেই ধান কাটা শতভাগ শেষ হয়েছে। এ অবস্থায় যদি হাওরের স্থায়ী বাঁধ ভেঙ্গে যায় তাহলে সেটার দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ বলেন, শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মিয়া মিয়া হোসেনেেক স্লুইসগেটটি খুলে দেয়ার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।