- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

শহরে রিকশা ভাড়ার নিয়ন্ত্রণ নেই

মোসাইদ রাহাত
পৌর শহরে লাগামহীন ও অনিয়ন্ত্রিত রিকশা ভাড়ায় হিমশিম খাচ্ছেন পৌরবাসী। ভাড়া নিয়ে রিকশা চালক ও যাত্রীদের মধ্যে বাকবিত-া হচ্ছে প্রায়ই।
পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সাঁটানো ভাড়ার সাইনবোর্ড থাকলেও তা অস্পষ্ট।
পুরাতন বাসস্টেশন এলাকা থেকে কাজীরপয়েন্ট বা কলেজ রোড এলাকায় যেতে হলে ৩০-৪০ টাকা, ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে হোসেন বখত চত্বর ২০ টাকা, পুরাতন বাসস্টেশন এলাকা থেকে মল্লিকপুর এলাকায় যেতে চাইলে ৩০ থেকে ৪০ টাকা ভাড়া চেয়ে বসেন রিক্সাচালকরা। রিকশা চালক ইচ্ছানুযায়ী ভাড়া দাবি করেন।
বিহারী পয়েন্ট এলাকার বাসিন্দা ইশতিয়াক সাকিব বলেন, রিকশায় উঠতেই এখন ভয় হয়। তাদের মন মতো ভাড়া দাবি করে বসেন। আমরা জানি তারা অনেক কষ্ট করেন সারাদিন। কিন্তু প্রতিদিন যদি রিকশা ভাড়ার জন্য ১০০ টাকা ব্যয় হয়, তাহলে চলবো কি করে। আমরা চাই বর্তমান বাজারের সাথে মিল রেখে পৌর কতৃপক্ষ একটি ভাড়া নির্ধারণ করে দিলে ভালো হয়।
রিকশা চালক মানিক মিয়া বলেন, আমরা দিনে যা আয় করি, তার কিছু অংশ মালিককে দিতে হয়। এই আয় দিয়ে আমাদের সংসার চালাতে হয়। যদি পৌর কর্তৃপক্ষ সকল দিক বিবেচনা করে ভাড়া নির্ধারণ করে দেন, আমরা অবশ্যই মানবো।
রিকশার মালিক মোহাম্মদ সাদেক বলেন, ২০১১ সালে সাবেক মেয়র আয়ূব বখত জগলুল শহরে রিকশা শ্রমিক মালিকদের নিয়ে বসে পয়েন্টে পয়েন্টে ভাড়া তালিকা লাগিয়েছিলেন। কিন্তু এতো বছর হয়ে গেছে, এটার কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমাদের দাবি রিকশা ভাড়া বৃদ্ধি করা হোক এবং ভাড়াটা যেনো বর্তমান বাজার মূল্যের সঙ্গে মিল রেখে করা হয়।
পৌর কাউন্সিলর চঞ্চল কুমার লোহ বলেন, আমাকে অনেকে অতিরিক্ত রিকশা ভাড়া নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। আমরাও মনে করি রিকশা ভাড়া পুনঃ নির্ধারণ হওয়া জরুরি।
পৌরসভার মেয়র নাদের বখত বলেন, মালিকদের নিয়ে বসে নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মাসেই শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ভাড়ার তালিকা সাঁটানো হবে।

  • [১]