- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

শহীদ আবুল হোসেনকে স্মরণ করলেন না কেউ-ই

স্টাফ রিপোর্টার
সতীশিয়ানদের কেউ-ই সুনামগঞ্জের প্রথম শহীদ আবুল হোসেনকে স্মরণ করলেন না। এমনকি উৎসবের প্রকাশনা ‘চন্দ্রালোকের বালিকারা’য়ও স্থান পাননি শহীদ আবুল হোসেন। অথচ. এই বিদ্যালয়ে অবস্থান করেই যুদ্ধরত অবস্থায় আবুল হোসেন পাকবাহিনীর গুলিতে নিহত হন।
১৯৭১ সালের     ২৮ মার্চ তখনকার সময়ের রাজনৈতিক কর্মী সগ্রামী জনতা দেশীয় অস্ত্রসহ শহরে জমায়েত হতে থাকেন। পূর্ব থেকে প্রস্তুত থাকা আনসার সদস্যদের সাথে কিছু ই.পি.আরের জওয়ানরা জনতার সঙ্গে যোগ দেন। তারা দু’ভাগ হয়ে একদল সুরমার তীর ঘেষে উত্তর দিকে অবস্থান নেন। অন্যদল দক্ষিণ দিকে সতীশচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। সকাল ১১ টায় যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের সূচনালগ্নে পাকসেনাদের গুলিতে গণেশ দাস (রিক্সা চালক) গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান তিনি।
সার্কিট হাউসে অবস্থারত পাকসেনাদের সঙ্গে বাঙালি ই.পি.আর, আনসার, ছাত্র-জনতা, মুজাহিদদের যুদ্ধ শুরু হলে সতীশচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে অবস্থান নেন আনসারের সদস্য আবুল হোসেন। তিনি ওখানে অবস্থান করেই শত্রুর মোকাবেলা করতে চেয়েছিলেন। এক পর্যায়ে পাকবাহিনীর গুলিতে নিহত হন আবুল হোসেন।
মুক্তিযুদ্ধ চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র সুনামগঞ্জের আহ্বায়ক বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু বললেন,‘বাংলাদেশের অভ্যূদয়ে এই বিদ্যালয়টির নাম জড়িয়ে রয়েছে। সুনামগঞ্জের প্রথম শহীদ আবুল হোসেন এই বিদ্যালয়ে অবস্থান করেই যুদ্ধরত অবস্থায় পাকহায়েনাদের গুলিতে মারা যান। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে এই বিদ্যালয়ের এতো বড় একটি উৎসব আবুল হোসেনের নামে উৎসর্গ করলে উৎসবের মর্যাদা আরো বেড়ে যেত’।

  • [১]