স্টাফ রিপোর্টার
জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘সরকারি অর্থায়নে ভাষা শহীদদের স্মৃতিরক্ষার জন্য একটি শহীদ মিনার হবে। এই শহীদ মিনারের স্থান নির্ধারণ হয়েছিল সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। এখানকার মানুষ যদি সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শহীদ মিনার করতে না চান, সেটি অন্যত্র হবে। শহীদ মিনার কারো একক স্থাপনা নয়, সকলের মতামতে সেটি অন্যত্র হতে পারে।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আরেকটি বিষয় হচ্ছে শহরের ডিএস রোডের ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত মুক্তিযোদ্ধা শহীদদের স্মরণ করার শহীদ মিনার। এই শহীদ মিনারটিকে ভালো ডিজাইন করে দৃষ্টিনন্দন করা যেতে পারে, যেখানে ১৬ ডিসেম্বর ও ২৬ মার্চ শ্রদ্মা জানাবো হবে। কিন্তু ভাষা শহীদদের মিনারে শ্রদ্মা জানানো হবে ২১
ফেব্রুয়ারিতে। যেটি সুনামগঞ্জে এখনো হয়নি। এই বিষয়টি আগে পরিস্কার হতে হবে এবং সকলে এক মত হয়েই স্থান নির্বাচন করতে হবে, যুক্তি দিয়েও বুঝাতে হবে’।
সোমবার রাত ১০ টায় এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার সময় জেলা প্রশাসক জানান, সোমবার প্রতিবন্ধী স্কুল ও শিশু কল্যাণ বিদ্যালয়ের সভায়ও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।