শান্তিগঞ্জ অফিস
শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের মৌগাঁও গ্রামে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক নির্মিত এবং বিএডিসি সুনামগঞ্জ জোন কর্তৃক অনুমোদিত সেচ প্রকল্পের পাশে প্রভাবশালীরা জোরপূর্বক অবৈধভাবে ডিজেল চালিত পানির পাম্প স্থাপন করার অভিযোগ উঠেছে।
২৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার মৌগাঁও সেচ স্ক্রীমের ম্যানেজার তুরন মিয়া বাদী হয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শান্তিগঞ্জ থানার ওসি বরাবর পৃথকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত সরকার অনুুমোদিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক পরিচালিত মৌগাঁও গ্রামে ডিএডিসি প্রকল্পের মাধ্যমে সেচ প্রকল্প পরিচালনা করে বোর ও আমন রকম ভূমি চাষাবাদ কাজে স্থানীয় কৃষকদের পানি সরবরাহ করছেন। দীর্ঘদিন যাবত একই গ্রামের ফয়জুর রহমান, সৈয়দুর রহমান, অমূল্য বৈদ্য, রসরাজ বৈদ্য, তফজ্জুল ইসলাম, রাজিব বৈদ্য, সুশন বৈদ্য, শশাংক বৈদ্য, সঞ্জয় বৈদ্য কালা, মুকিদ মিয়া সহ কয়েকজন দলবদ্ধ হয়ে তুরন মিয়ার সেচ প্রকল্প পরিচালনা কাজে বাঁধা নিষেধসহ যান মালের ক্ষতি সাধন ও মামলা মোকদ্দমা করে হয়রানি করছেন। গত ২৩ ডিসেম্বর সকালে নামাংকিতরা তুরন মিয়ার পরিচালিত বিদ্যুৎ চালিত বিএডিসি প্রকল্পের পানির পাম্পের নিকটবর্তী একই স্থানে একটি ডিজেল চালিত পানির পাম্প অবৈধভাবে জোরপূর্বক স্থাপন করে। ডিজেল চালিত পানির পাম্প বসানোর খবর পেয়ে পানির পাম্প বসাতে বাঁধা নিষেধ করলে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তুরন মিয়াকে প্রাণে হত্যার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক ডিজেল চালিত পানির পাম্প স্থাপন করে পানি সরবরাহ করে তারা।
এ ব্যাপারে মৌগাঁও বিএডিসি সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার তুরন মিয়া জানান, আমি সরকারিভাবে অনুমোদন প্রাপ্ত হয়ে সকল বিল পরিশোধ করে পাম্প বসানোর উদ্যোগ নিলে বিবাদীরা জোরপূর্বক অবৈধভাবে বিএডিসির জায়গায় ডিজেল চালিত পাম্প স্থাপন করেছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পক্ষের ফয়জুর রহমান বলেন, বিএডিসির ম্যানেজার তুরন মিয়ার আচার আচরণে ক্ষিপ্ত হয়ে আমরা ডিজেল চালিত পানির পাম্প স্থাপন করেছি।
শান্তিগঞ্জ থানার ওসি কাজী মুক্তাদীর হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার উজ জামান জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।