সিলেট অফিস
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সপ্তম ব্যাচের (১৯৯৬-৯৭ সেশন) দুই দিনব্যাপী পুনর্মিলনী উৎসব শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের সামনে বৃক্ষরোপন ও আনন্দ শোভাযাত্রার মাধ্যমে ‘কুড়ি বছর পর নোঙ্গর’ শীর্ষক এ পুনর্মিলনী উৎসব শুরু হয়। সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এবং উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শোভাযাত্রা শেষে দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রতিমন্ত্রী।
পুনর্মিলনী কমিটির আহ্বায়ক আজিজুল ইসলাম শামীমের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস উদ্দীন বিশ্বাস প্রমুখ।
এ সময় চারজন ডিফারেন্টলি অ্যাবল মেধাবী শিক্ষার্থীকে বিশেষ পুরস্কার এবং ক্যান্সারাক্রান্ত এক শিশুকে সাহায্য দেওয়া হয়। উৎসবে সপ্তম ব্যাচের ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচক করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম এ মান্নান বলেন, ‘শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই। আমি উপাচার্যকে বলেছি গবেষণাসহ উন্নয়ন কাজের জন্যে একটি প্রস্তাবনা দেওয়ার জন্য, আমি সেটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবো।’
উৎসবে অংশগ্রহণকারী সপ্তম ব্যাচের শিক্ষার্থী গাজিউল হক সোহাগ ও আবু সায়েম বলেন, অনেক বছর পর একত্রিত হতে পেরে অনেক ভালো লাগছে, এ অন্য রকম অনুভূতি।
বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয় স্মৃতিচারণ, মেধাবী সম্মাননা, র্যাফেল ড্র এবং সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বিমা মেলা
বিমা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়াতে এবং বিভিন্ন অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে সিলেটে দুই দিনব্যাপী বিমা মেলা শুরু হয়েছে। শুক্রবার দুপুর পৌনে ১টায় সিলেটের কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ মেলার উদ্বোধন করেন। মেলায় বিভিন্ন বিমা কোম্পানির গ্রাহকদের ৪ কোটি ৫৬ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৯ টাকার বিমা দাবির চেক হস্তান্তর করেন তিনি।
এদিকে, মেলা উপলক্ষ্যে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সকালে শহরের কোর্ট এলাকা থেকে একটি র্যালি বের হয়। যা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়।
বিমা কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান বিমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) আয়োজিত মেলায় সহযোগিতা করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম এবং বিমা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।
আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মানিক চন্দ্র দে, আইডিআরএ সদস্য গোকুল চাঁদ দাস, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম সহ-সভাপতি রুবিনা হামিদ এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের সভাপতি বি এম ইউসুফ আলী।
মেলায় দেশের দু’টি সরকারি বিমা প্রতিষ্ঠান জীবন বিমা করপোরেশন এবং সাধারণ বিমা করপোরেশনের পাশাপাশি ৩০টি বেসরকারি বিমা কোম্পানি মেলায় অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে জীবন বিমা কোম্পানি রয়েছে ১৬টি এবং সাধারণ বিমা কোম্পানি রয়েছে ১৪টি।
মেলায় বিমা কোম্পানির মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন, বিমা বিষয়ে প্রশিক্ষণ একাডেমি ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের স্টল রয়েছে।