স্টাফ রিপোর্টার
আনন্দ আয়োজন। একেবারেই নির্মল আনন্দ যাকে বলে। গানের মধ্যেই ডুবে গিয়েছিলেন সকলে। মৃদুকণ্ঠে সুরও মিলিয়েছেন অনেকে। এই অবস্থা ছিল রোববার সন্ধ্যায় শহরের শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের ‘শারদীয় শুভেচ্ছা’ জানানোর অনুষ্ঠানে।
জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন। পরে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী অরুণিমা দাসকে দিয়েই গানের অনুষ্ঠান সূচনা করলেন তিনি। অরুণিমা গাইলেন- রবীন্দ্র সঙ্গীত ‘আমি তোমায় হাত…’ এটি গাওয়ার পর দর্শকদের অনুরোধে আরেকটি গাইলেন অরুণিমা।
জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শামছুল আবেদীন সঞ্চালনায় এরপর শিল্পী সম্বিতা তালুকদার গাইলেন- ‘তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা…’। জ্যেষ্ঠ শিল্পী অভিজিৎ চৌধুরী ‘শিব দূর্গার নাম…’। তুলিকা ঘোষ চৌধুরী ‘আমার জলকে যাওয়ার পথে.. ’, উৎফুল খাস নবীস ‘ভুল ভেঙে গেছে..’, চয়ন চৌধুরী-‘যাও যাও যাও ফিরে..’, অ্যাড. মলয় চক্রবর্তী রাজু ‘ঝিরি ঝিরি বাতাস তোমায়..’, রাকিবা ইসলাম ঐশি ‘আর নেই নেই কোন ভাবনা’।
এছাড়া অন্তরা খাসনবীস, শান্তিময় ভট্টাচার্য, অ্যাড. প্রসেনজিৎ দে, শেষ পর্যায়ে জেলা প্রশাসক গাইছিলেন-‘ যে ছিল আমার স্বপনচারিণী, এতো সুর আর এতো গান যদি কোন দিন থেমে যায়…, আমি বাংলায় গান গাই…’ সুনসান নিরবতায় শুনছিলেন সুধীজনেরা।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে কথা সাহিত্যিক অ্যাড. স্বপন কুমার দেব’র লেখা সদ্য প্রকাশিত ‘বেড়াতে ভারত উত্তর থেকে উত্তরাখ-’ সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্, সংসদ সদস্য অ্যাড. শামছুন নাহার বেগম শাহানা, পৌরসভার মেয়র আয়ুব বখ্ত জগলুল’র হাতে তুলে দেন লেখক।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিজিবি’র ২৮ রাইফেলের অধিনায়ক লে. কর্ণেল নাসির উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।