স্টাফ রিপোর্টার
তিন দফা বন্যায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের শালমারা গ্রামের প্রায় ৩ কিলোমিটার মাটির সড়কের বেহাল অবস্থা হয়েছে। এবারের বন্যায় সড়কের ৪ স্থানে ভেঙে খালের আকার ধারণ করেছে। এই ভাঙন দিয়ে নৌকা চলাচল করছে। সড়কের টেকসই উন্নয়ন করতে পাকাকরণের দাবি ৩ গ্রামের মানুষের।
স্থানীয় বাসিন্দা মিন্টু রঞ্জন দে, কলেজ শিক্ষার্থী প্রিয়া সরকার ও চন্দনা তালুকদার জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কের পাকাকরণ না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে কাদার সৃষ্টি হয়। ছোট আকারের গাড়ি চলাচল করা সম্ভব হয় না। এই সড়ক দিয়ে শালমারা, কচুখালী ও চানপুর গ্রামের মানুষ চলাচল করে থাকেন। ৩ গ্রামের প্রায় ১ হাজার পরিবারের প্রায় ৪ হাজারের মানুষের চলাচলের একমাত্র সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা এই সড়ক। সড়ক ভাঙনের কারণে বর্ষায় বেশিরভাগ মানুষ নৌকায় চলাচল করতে হচ্ছে। প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও রোগীরা এই সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। সাচনা-শেরমস্তপুর মেইন সড়ক থেকে শালমারা গ্রাম পর্যন্ত এই মাটির সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।
সৌরভ দে জানান, শালমারা গ্রামে যোগাযোগ সড়কটি প্রায় ২ বছর আগে নির্মাণ করে দেয় ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদ। প্রায় ১ বছর আগে একটি কালভার্ট সেতুও নির্মাণ করা হয় সড়কের উপর। কিন্তু সড়ক পাকাকরণ করা হয়নি। এই কারণে সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে কাদার সৃষ্টি হয় এবং গর্তের সৃষ্টি হয়। এই সড়ক পাকাকরণের দাবি আমাদের।
ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রনজিত চৌধুরী রাজন বলেন, মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে আমি গত ২ বছর আগে সড়ক ও জনপথের পাকা সড়ক থেকে শালমারা হয়ে কচুখালী গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়কে মাটি ভরাট করে সড়ক নির্মাণ করেছি। এই সড়ক দিয়ে চানপুরসহ ৩ গ্রামের মানুষ চলাচল করে থাকেন। আগামী বছর এই সড়কের প্রায় ১ হাজার ফুট পাকাকরণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।