স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ বলেন, সরকারি কলেজের ৪ তলা একাডেমিক ভবনের কাজ শেষ পর্যায়ে। নতুন মসজিদ হচ্ছে। আরেকটি একাডেমিক ভবনের কাজও শুরু হবে। আমার নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুরের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ১০০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এসব কাজ বাস্তবায়ন করছে। তবে জেলার শিক্ষার গুণগত মান আমাকে লজ্জিত করে। এজন্য সামাজিক আন্দোলন করতে হবে। শহরের সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি এসসি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। ২৭-২৮ জন করে শিক্ষক সংকট। একাডেমিক
ভবন দিয়ে শিক্ষার গুণগত মান বাড়বে না। বিশ্ববিদ্যালয় হলে আমাদের ছেলেমেয়েরা ভাত ও চায়ের দোকান দিতে পারবে। সেখানে পড়তে পারবে না। তাই দল মতের উর্ধ্বে উঠে শিক্ষা আন্দোলন করতে হবে। পরবর্তী প্রজন্মকে আলোকিত ও সুন্দর ভবিষ্যত দেবার জন্য। এজন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। কিভাবে দ্রুততম সময়ে আমরা এই অবস্থার উন্নতি করতে পারি। অবকাঠামোগত কোন সমস্যা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত মানের সমস্যা রয়েছে।
শুক্রবার সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠার গৌরবোজ্জ্বল ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন ও প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আয়ুব বখত জগলুল, সুবির তালুকদার, আতম মিসবাহ্, আবু সুফিয়ান আমাদের সময়ের ছাত্রনেতা ছিলেন। আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাদের প্রতি সম্মান জানাই। তাদের কারণেই আমি এই জায়গায় আসতে পেরেছি। এসময় তিনি মুক্তি সংগ্রামী আতম সালেহ ও বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। বলেন তাদের কারণেই দেশ আজ স্বাধীন।
তিনি বলেন, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠার গৌরবোজ্জ্বল ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন ও প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পুনর্মিলনী অত্যন্ত আবেগ ও ভালোবাসার অনুষ্ঠান। তবে আরেকটু উদ্যোগী হলে অনুষ্ঠান আরও ভাল হতো।