মমিনুল মউজদীন স্মৃতিবৃত্তি
স্টাফ রিপোর্টার
মরমি সাধক হাসন রাজার প্রপৌত্র ও সুনামগঞ্জ পৌর সভার চেয়ারম্যান প্রয়াত কবি মমিনুল মউজদীনের নামে চালু হওয়া ‘মমিনুল মউজদীন স্মৃতিবৃত্তি পরীক্ষা-২০১৭’ গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ পৌর শহরের এইচ এম পি উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হয়। এবারের পরীক্ষায় জেলার ৭২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পঞ্চম শ্রেণির ৬৮০জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। আগামি ১৫ নভেম্বর মমিনুল মউজদীনের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভায় এই বৃত্তি প্রদান করা হবে।
পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন সুনামগঞ্জের প্রবীন আইনজীবী ও লেখক হোসেন তওফিক চৌধুরী, প্রবীন শিক্ষক ধূর্জটি কুমার বসু, টিআইবির সনাক সদস্য নুুরুর রব চৌধুরী, হাসন রাজা ট্রাস্টের সভাপতি দেওয়ান ইমদাদ রেজা চৌধুরী, এইচ এম পি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইনচান মিঞা, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আলী হায়দার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ’র সম্পাদক বিজন সেন রায়, দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর’র সম্পাদক পঙ্কজ কান্তি দে, সুনামগঞ্জ পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র নুরুল ইসলাম বজলু, পৌর কাউন্সিলর আহমদ নূর, সমাজকর্মী দেওয়ান রাবিন আনোয়ার, আবদুল মতিন, পরীক্ষা সমন্বয়কারী মো. রাজু আহমেদ, আশরাফুজ্জামান বাবলু প্রমুখ।
কবি মমিনুল মউজদীন ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী তাহেরা চৌধুরী ও ছেলে কহলিল জিবরাসহ মারা যান। মমিনুল মউজদীন স্মৃতি সংসদ ২০১০ সাল থেকে এই বৃত্তি পরীক্ষা চালু করে। কবি মমিনুল মউজদীনের দুটি কাব্যগ্রন্থ হলো ‘এ শহর ছেড়ে পালাবো কোথায়’ ও ‘হৃদয় ভাঙ্গার শব্দ’।
সাতপাড়া মেধাবৃত্তি
শাল্লা উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমের সাতপাড়া বাজারে শিক্ষক সুবাস চন্দ্র দাস, ভাষ্কর চৌধুরী, মো: আলমগীর হোসেন ও সুবোধ সরকারের অর্থায়নে সাতপাড়া মেধা শিক্ষা বৃত্তি’২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আয়োজকদের সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার শাল্লা উপজেলার শাল্লা ইউনিয়নের সাতপাড়া বাজারে সকাল ১০টায় ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৯ জন শিক্ষার্থী উক্ত বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার দীন মোহাম্মদ।
পরীক্ষা শেষে বেলা ৩টায় ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। শিক্ষক মনোজ কান্তি সরকারের সঞ্চালনায় ও সাতপাড়া বাজার কমিটির সভাপতি মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার দীন মোহাম্মদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক নেতা সুরঞ্জিত চৌধুরী, চয়নব্রত চৌধুরী, লোকেশ চন্দ্র দাস, সুব্রত কুমার দাস, অরবিন্দু দাস প্রমুখ।
আলোচনা শেষে ০৭ জন সাধারণ বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী যথাক্রমে প্রান্ত চৌধুরী, স্বর্ণা আক্তার, জয় সরকার, তিথী রানী দাস, সজিব দাস, গৌরাঙ্গ দাস, প্লাবন সরকারকে ১,০০০/- টাকা ও সনদ এবং টেলেন্টপুল বৃত্তি প্রাপ্ত মেধাক্রম অনুসারে ১ম সাম্য চৌধুরী, ২য় প্রমি আক্তার, ৩য় খাইরুল মিয়া প্রত্যেককে যথাক্রমে ২,০০০/-, ১,৭০০/-, ১,৫০০/- টাকা ও সনদ প্রদান করা হয়।
নান্দনিক ছাত্র কল্যাণ
কাঠইর নান্দনিক ছাত্র কল্যাণ ২য় মেধা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার শাখাইতি গ্রামের অষ্টগ্রাম রাস গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ উপজেলার ৮০ টি বিদ্যালয়ের মোট ৪৬৩ জন ছাত্র-ছাত্রী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করেন সদর উপজেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন রশিদ।
পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন কাঠইর ইউপি চেয়ারম্যান মুফতি শামছুল ইসলাম, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অনুকূল দাস,
সদর উপজেলার ইউআরসি ইনস্টাক্টর সৈয়দ আহমদ শাহলান, মঈনুল হক কলেজের অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, অষ্টগ্রাম রাস গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুস সহিদ, পারারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, এইচ.এম.পি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক প্রেমানন্দ বিশ্বাস, ড্যাফোডিল কিন্ডারগার্টেনের সহকারি প্রিন্সিপাল অজিত কুমার দাস, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন, কাঠইর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত তালুকদার সেতু, কাঠইর নান্দনিক পাঠশালার প্রধান শিক্ষক সবিতা রানী দাস, দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের পাগলাবাজার প্রতিনিধি ইয়াকুব শাহরিয়ার।
বৃত্তি পরীক্ষা পরিচালনা করেন কাঠইর নান্দনিক ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সভাপতি জাবেদ আহমদ, সহ সভাপতি রুহুল তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক দুলন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ উত্তম কুমার চৌধুরীসহ সংগঠনের সদস্যগণ। আগামী ৩১ ডিসেম্বর স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে জানানো হয়।
(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
এডুকেশন ট্রাস্ট
ছাতকে ছমরু মিয়া ও মদরিছ মাস্টার মেমোরিয়াল এডুকেশন ট্রাষ্টের ১০তম প্রাথমিক মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ মেধা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শহরের মন্ডলীভোগ, বাগবাড়ি মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ছাতক ও বিশ্বনাথ উপজেলার ৫৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ২শ’৮২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। বেলা ১১ টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত ২ ঘন্টা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র দাস।
এসময় ট্রাষ্টের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও দৈনিক উত্তরপূর্ব পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক তাপস দাস পুরকায়স্থ, ট্রাষ্টের সহ সভাপতি মুজিবুর রহমান, সহ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, ট্রাষ্টের ট্রেজারার ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান, স্বরবিন্দু চক্রবর্তী, প্রধান শিক্ষক হেলালুল ইসলাম, নিত্যরঞ্জন দাস, মুমিনুর রহমান, জয়নাল আবেদীন, মোস্তাক আহমদ, মাও. শামছুল ইসলাম, আম্বিয়া বেগম, সুরাইয়া বেগম, নাদিরা পারভিন, চন্দন পাল, জয়ন্তি দেবনাথ, সালেহ আহমদ, সাইদুর রহমান, মাওলানা কামাল উদ্দিন, মর্তুজ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উত্তর সুরমা মেধাবৃত্তি
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ‘উত্তর সুরমা মেধা বৃত্তি পরিষদ’র উদ্যোগে মেধা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে সুরমা ইউনিয়নের সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়, সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মুসলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
সদর উপজেলা ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ৩০টি বিদ্যালয়সহ পৌর শহরের সরকারি জুবিলী ও কালীবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ৪২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এ সময় পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উত্তর সুরমা মেধা বৃত্তি পরিষদের উপদেষ্টা ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন, কাশেম আলী মোড়ল, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইবনে মোমেন গণি, সহ-সভাপতি আবু বক্র সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাদির শাহ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, প্রচার সম্পাদক আবু সালেহ প্রমুখ।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করেন ডাঃ সাইদুর রহমান সোহেল, শিক্ষক মো. সিদ্দিকুর রহমান ও সন্তোষ কুমার চন্দ।
আলোর মিছিল
দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, মননশীল ও সৃষ্টিশীল নাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘মেধা তোমাদের, শাণিত করার দায়িত্ব আমাদের’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আলোর মিছিলের চতুর্থবারের মত মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের গাবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সেলবরষ ইউনিয়নের ১৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১১জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে।
সংগঠনের
সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বাপ্পা জানান, গ্রাম থেকে সমগ্র উপজেলায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে হাওরাঞ্চলের দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের সঠিক পথ দেখিয়ে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসতে কাজ করছেন তাঁরা।