দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাঁক ইউনিয়নে টিনের চালে ঢিল মারাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ জন জন আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল ৯টায় ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের ওয়াদ উল্লাহর ছেলে আবদুল ওয়াহিদ ও আলী বক্সের ছেলে আইয়ুব আলী পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আহতরা হলেন- ওয়াদ উল্লাহর ছেলে আবদুল ওয়াহিদ (৫০), আবদুল ওয়াহিদের ছেলে কামরান হোসেন (২৪), ইমরান হোসেন (১৮), কাউছার হোসেন (২৬), আবদুল জলিলের ছেলে শাহ আলম (৩৫), এখলাছুর রহমান (২২), ইসকন্দর মিয়ার ছেলে আবদুল মান্নান (৪৮), আবদুল হামিদ (৪০) আবদুল মান্নাননের ছেলে কমরু মিয়া (১৮), নূর মিয়া (২৫), শালিসী ব্যাক্তিত্ব মোবারক আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২৫), এশাদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩০), রহিম বক্সের ছেলে আশিক মিয়া (২৭)।
আইয়ুব আলীর পক্ষের আহতরা হলেন আলী বক্সের ছেলে মকছদ আলী (৫০), আবদুল হকের ছেলে আবেদীন (২৫), মেহের বক্সের ছেলে ফিরিজ আলী (৬০), আইয়ুব আলীর ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০) ও তৌফিক মিয়া (২৫)সহ কমপক্ষে ২৫জন লোক আহত হন। আহতদের অনেককেই সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও সিলেট এম এ জি মেডিকল্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে কে বা কারা আবদুল ওয়াহিদের ঘরের টিনের চালে ঢিল মারে। আবদুল ওয়াহিদ রাতেই অজ্ঞাত লোকদের উদ্দেশ্য করে গালাগালি করেন। এতে প্রতিবেশি আইয়ুব আলী বাধা দিলে দু’জনের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। স্থানীয় ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে তখন বিষয়টির মিমাংসা হয়। সকালে দু’পক্ষের লোকজন সংঘর্ষের প্রস্তুতি নিলে স্থানীয় শালিস ব্যক্তিরা পুনরায় বিষয়টিকে সুরাহা করার আশ্বাস দিলে দু’পক্ষই শালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তিতে রাজি হন। এর কিছুক্ষণ পর দু’পক্ষ আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে কমপক্ষে ২৫জন লোক আহত হন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) ইকবাল বাহার রঘুনাথপুরে সংঘর্ষের ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। যদি কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসে ব্যবস্থা নেব।