স্টাফ রিপোর্টার
পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বলেছেন, ‘আমরা সভ্য জাতি হিসেবে কেউ শৃংখলাবোধের পরিচয় দিতে পারি না। ফলে প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘটে যাচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে প্রাণহানি ঘটে, মারা যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। তিনি আরো বলেন,‘একজন মানুষের বিবেক হচ্ছে সবচেয়ে বড় আদালত। দেশে শতকরা ৭০ ভাড় সড়ক দুর্ঘটনা হচ্ছে চালকের অসাবধানতার কারণে। চলন্ত অবস্থা সিটে ব্যাল্ট ব্যবহার না করা, মোবাইল ফোনে কথা বলা ও অতিরিক্ত স্প্রিটে গাড়ি চালানো এবং যেখানে সেখানে যাত্রী উঠানামা করার কারণে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া সাধারণ পথচারীরাও অসচেতনভাবে রাস্তা চলাফেরা করা দুর্ঘটনার আরেকটি মূল কারণ।’ তিনি প্রশিক্ষিত চালককে লাইসেন্স প্রদানের জন্য উপস্থিত বিআরটিএর কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান।
সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে সড়ক দুর্ঘটনা
প্রতিরোধে সচেতনতা ও উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয় সরকারের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষের সঞ্চালনায় কর্মশালায় পুলিশ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তা, বিআরটিএর পরিচালকসহ বিভিন্ন বাস, মিনিবাস, অটোরিক্রা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা ও চালকরা কর্মশালায় অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিআরটিএর সহকারী পরিচালক মো. ডালিম, হাইওয়ে পুলিশের সিলেট অঞ্চলের সিনিয়র এসপি শৈলেন চাকমা, সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরী, ট্রাফিক পুলিশের ওসি সামছুল ইসলাম, বিআরটিএর সুনামগঞ্জ অঞ্চলের পরিচালক জিল্লুর রহমান, ট্রাফিক সার্জেন্ট সালাহ উদ্দিন কাজল, বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক প্রমুখ।