ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে সরকারী ভূমি দখলমুক্ত করতে দখলদারদের কাছে অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছে সওজ কর্তৃপক্ষ। সওজ’র ভূমি থেকে দখলদার উচ্ছেদ করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী, থানা প্রশসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও দখলদার উচ্ছেদ করা সম্ভব হচ্ছে না। অবশেষে উপজেলা চেয়ারম্যানের সমন্বয়ে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমেও কোন সুরাহা করা সম্ভব হয়নি। এ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্য সৃষ্টি হয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া।
ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের মাধবপুর ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় সওজ’ ভূমিতে
গড়ে উঠা সামাজিক বনায়ন প্রকল্পে ইট-বালুর ব্যবসা করে আসছেন মাধবপুর গ্রামের মৃত. রাশিদ আলীর পুত্র ইট-বালুর ব্যবসায়ী চান্দ আলী ওরফে গেদন মিয়া। এতে বনায়ন প্রকল্পের ক্ষতিসহ নদীঘাটে যাতায়াত, গ্রামের গবাদিপশু মাঠে নিয়ে যাওয়া-আসা, শিশু-কিশোরদের খোলাধুলায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হলে এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সওজ বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে সওজ’র উপসহকারী প্রকৌশলী রমজান আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সওজর ভূমি থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা সরিয়ে নিতে নোটিশ প্রদান করেন। এতে কোন কাজ না হলে সওজ’র ভূমি দখল, নিষেধাজ্ঞা অমান্য ও বিনা অনুমতিতে বনায়ন প্রকল্পের গাছ কর্তনে সওজ’র উপসহকারী প্রকৌশলী রমজান আলী বাদী হয়ে আইনী ব্যবস্থা নিতে ছাতক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কিছুতেই সওজ’র ভূমি দখলমুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। অবশেষে ২১ নভেম্বর দখলদার ও বাদী পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা বৈঠক করে প্রকাশিত সওজ’র ভূমি সরকারী ও জনস্বার্থে সংরক্ষণ করে আইনানুগ ভাবে চলার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। বিষয়টি উভয় পক্ষ মেনে নিলেও মূলত সরকারী ভূমি দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়নি। বাদী পক্ষের অভিযোগ ইট-বালু সরিয়ে নিলেও মিনি ক্রাসারে সওজ’র ভূমিতে ইট ভাঙ্গার কাজ এখনো চলছে।