স্টাফ রিপোর্টার
সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের ৭০৫৯ জন ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদের নিয়মিতকরণ সহ ৭ দফা দাবী বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে সুনামগঞ্জে ৫দিন ব্যাপি কর্মবিরতির সমাপ্তি হয়েছে। কর্মবিরতি শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে সওজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের আয়োজনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সওজ’র শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সওজ’র উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নাজমুল
ওয়াহেদ চৌধুরী, সহকারী প্রকৌশলী অমীয় চক্রবর্তী, উপ সহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান।
এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন, সওজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সহ সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, কম্পিউটার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুদীপ চন্দ্র দাস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শুকুর আলী, যুগ্ম সম্পাদক কবির হোসেন, অর্থ সম্পাদক আলী হোসেন, সদস্য আবুল কাশেম, নুরুল আমিন, নুরুল হক, মহিলা সম্পাদিকা নাসরিন আক্তার প্রমুখ।
সড়ক ও জনপথ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের শ্রমিকরা দাবি জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক যাচাই বাছাইকৃত ২৬৬৭ জন ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শূদ্য পদে নিয়মিত ও অবশিষ্ট ৪৩৯২ জন ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদেরকে শর্ত শিথিলপূর্বক পূর্বের ন্যায় কনভার্টেড রেগুলার এর আওতায় এনে নিয়মিত করণের প্রজ্ঞাপন/এসআরও জারী করতে হবে। বিভিন্ন শ্রেণি/সড়ক বিভাগে কর্মরত কর্মচারীগণ কর্তৃক মহামান্য হাইকোর্টে/সুপ্রীম কোর্টে দায়েরকৃত মামলার রায়/নির্দেশনা দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা। ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদেরকে নিয়মিতকরণের পর মাস্টাররোল কর্মচারীদেরকে নিয়মিত সংস্থাপনে আনয়ন করতে হবে। পূর্বের ন্যায় মাস্টাররোল কর্মচারীদেরকে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী শ্রেণিভিত্তিক সারাদেশে একই হারে দৈনিক মজুরী নির্ধারণ করতে করার। কনভার্টেড নিয়মিত কর্মচারীসহ সকল নিয়মিত কর্মচারীকে যথাসময়ে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে। অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত সাংগঠনিক কাঠামো (সেটআপ) কর্মকর্তাদের ন্যায় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদেরকে সাংগঠনিক কাঠামো (সেটআপ) চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করতে হবে। ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদের চাকুরীর বর্তমান বয়সসীমা ৬০ বৎসরের স্থলে ৬২ বৎসর করতে হবে। ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদের মধ্যে বিনা পেনশনে যাদের বয়স ৬০ বৎসর পূর্ণ হয়েছে/মৃত্যুবরণ করেছেন তাদেরকে বিভাগীয়ভাবে যথোপযুক্তভাবে অনুদানের ব্যবস্থা। এসব দাবি আদায়ে ১২ নভেম্বর জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন, ১৪ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান, ১৯ নভেম্বর প্রতিটি দপ্তরে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন, ২৮ নভেম্বর কাফনের কাপড় নিয়ে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর, ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ও প্রেসক্লাবে অবস্থান ধর্মঘট করবেন তারা।