- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

সকালে গেলে সন্ধ্যায় আসে বিদ্যুৎ

এম.এ রাজ্জাক, তাহিরপুর
তাহিরপুর উপজেলার কিছু এলাকায় গত দুই সপ্তাহ ধরে দিনে ১০ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। সকাল ৮ টার দিকে বিদ্যুৎ গেলে আসে সন্ধ্যা ৬টার দিকে। প্রতিদিন এভাবে বিদ্যুৎ না থাকায় উপজেলার বাদাঘাট, উত্তর বড়দল, দক্ষিণ বড়দল ও উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের কিছু এলাকার বাজার ও গ্রামে মানুষজন অবর্ননীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা যায়, বিশ্বম্ভপুর ও বাদাঘাট ৩৩ কেভির মেইন লাইনের বিদ্যুৎ আপডেট, লাইন ভাগ করার কাজ করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ বন্ধ রেখে পল্লী বিদ্যুতের মেইন লাইনের পুরাতন কাঠের খুঁটি পরিবর্তন করে পাঁকা খুঁটি স্থাপন করায় বেশ কয়েকদিন ধরে এই সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ সমস্যা চলবে আরও কয়েকদিন। তারা চেষ্টা করছেন দ্রুত সময়ের মধ্যে মেইন লাইন মেরামত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে।
বালিয়াঘাট নতুন বাজারের ব্যবসায়ী ইসলাম উদ্দিন বলেন, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে টানা ১০ ঘন্টা করে নিয়মিত বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল বাজারের ব্যবসায়ীরা কঠিন সমস্যায় পড়েছেন। বিশেষ করে যারা এনজিও ঋণ এনেছেন তারা সাপ্তাহিক কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন না দোকানে কাজ করতে না পারায়।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল হোসেন খান বলেন, বিদ্যুতের লাইন মেরামত করা জরুরী। তবে সারাদিন বন্ধ না রেখে দুপুর দিকে ১ থেকে দুই ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে বাজারের বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীর ব্যবসায়ীরা তাদের কাজ কিছুটা হলেও সারতে পারতো।
তাহিরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক মোর্শেদ আলম বলেন, সুনামগঞ্জ থেকে বাদাঘাট আসা মেইন লাইনটি বিদ্যুৎ আপডেট করার কারণে বন্ধ রাখতে হচ্ছে। বর্তমানে এক উপজেলার বিদ্যুৎ দিয়ে দুই উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কারণে এমন সমস্যা হচ্ছে। কিছুদিন বিদ্যুৎ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ধৈর্য ধারণ করতে তিনি অনুরোধ করেন।
সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার অখিল কুমার শাহ বলেন, বাদাঘাট ও বিশ্বম্ভপুর ৩৩ কেভি বিদ্যুতের মেইন লাইন ভাগ করার কারণে দিনে লাইন অফ রেখে কাজ করতে হচ্ছে। যার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক মতো করা যাচ্ছে না। আপাতত জামালগঞ্জ থেকে বিদ্যুৎ এনে তাহিরপুর এলাকায় রাতে সরবরাহ করা হচ্ছে। আস্তে আস্তে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হবে।

  • [১]