- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

সড়ক দখল করে ব্যবসা

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
সড়কের দক্ষিণপাশে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ করায় সড়ক অনেকটাই সরু হয়ে গেছে। তবুও ড্রেন ঘেষে ও সড়কের উত্তর পাশ দখল করে অস্থায়ী সবজি, ফল, পানের দোকান বসানো হয়েছে। কোনো কোনো ব্যবসায়ী আবার নির্মাণ করেছে স্থায়ী ঘর। ফলে সড়কটির জায়গা আরও কমে গেছে। সারাদিন ধরে ওইসব দোকানগুলোতে বেচাকেনার কারণে সড়কে সহজেই যানজট সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সদর বাজারের প্রধান সড়ক দখল করে ব্যবসা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় সড়কের উভয় পাশের স্থায়ী ব্যবসায়ীদের ব্যবসা পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি পথচারীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। তাই সড়ক দখল করে অস্থায়ী ব্যবসা কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সদর বাজারের স্থায়ী ব্যবসায়ী মো. মনির, আলী আজগর, লিটন চন্দ্র ভৌমিক, অসিম চন্দ্র শীল, মুশফিকুর রহমান, আনোয়ারুল ইসলামসহ ঘর মালিক, কাপড়, অসুধ, মনোহারি দোকানের অন্তত ৪০ জন ব্যবসায়ী রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এর আগে আরও একবার আবেদন করেছিলেন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।
ধর্মপাশা গরুহাট্টা এলাকায় কাঁচাবাজারের জন্য নির্ধারিত স্থান রয়েছে। সেখানে স্থায়ী সবজি ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী মাসের পর মাস ধরে খাদ্যগুদামের সামনে থেকে মধ্য বাজার হয়ে শয়তানখালী সেতু পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ দখল করে সবজি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও কিছু ব্যবসায়ী অস্থায়ী ফল ও পানের দোকান গড়ে তুলেছেন। ফলে গেল বছরের ২৮ নভেম্বর নির্ধারিত স্থানের ক্ষতিগ্রস্ত সবজি ব্যবসায়ীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সড়কের পাশ থেকে সবজি বাজার সরাতে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছিলেন। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদুয়ানুল হালিমকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওইদিন বিকেলেই সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরেজমিন সেই বাজার পরিদর্শন করে সড়কের দুই পাশে সবজি বাজার না বসাতে ব্যবসায়ীদের সর্তক করেন। কিন্তু এতে কোনো কাজ হয়নি। ফলে সড়কের দুই পাশের স্থায়ী ব্যবসায়ীদের ব্যবসা পরিচালনা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ায় রোববার পুনরায় তারা পুনরায় আবেদন জানিয়েছেন।
ব্যবসায়ী লিটন চন্দ্র ভৌমিক বলেন ‘দোকানের সামনের দোকান নিয়ে বসলে আমাদের ব্যবসা পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটে। অস্থায়ী ব্যবসায়ীদের জন্য যদি একটি নির্ধারিত স্থানের ব্যবস্থা করা যায় তাহলে তারা যেমন স্বাচ্ছন্দে ব্যবসা করতে পারবে তেমনি আমাদের ব্যবসারও ক্ষতি হবে না।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির হাসান বলেন, ‘এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) বলা হয়েছে। দ্রুত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

  • [১]