স্টাফ রিপোর্টার
সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির সভায় বক্তারা বলেছেন,‘জঙ্গিরা বাংলাদেশের জাতিসত্বার উপর আক্রমণ করতে চায়, এরা বাংলাদেশকে- পাকিস্তানের মতো ধ্বংস করতে চায়, অকার্যকর রাষ্ট্র বানাতে চায়, আমরা এটি হতে দেব না,সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হয়েছি, এবার বিপথগামী কিছু তরুণের কাছে বীরের জাতি বাঙালি পরাজিত হবে না। তবে শর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে ভূত তাড়ানো যাবে না, সব সময়ই খেয়াল রাখতে হবে, আমাদের নিজেদের মধ্যে জঙ্গিরা ঘাপটি মেরে আছে কী না’।
মঙ্গলবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় বক্তারা এমন মন্তব্য করেন।
জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সাবেরা আক্তার, বিজিবির ৮ রাইফেল ব্যাটেলিয়ানের উপ-অধিনায়ক মেজর মাহবুব আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ, এনএসআইয়ের উপ-পরিচালক ইসমাইল হোসেন পলাশ, রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আলী আমজাদ, মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, অ্যাড. সুরেশ দাস, অ্যাড. রইছ উদ্দিন, রাজনীতিবিদ আতম সালেহ্, সাংবাদিক কামরুজ্জামান চৌধুরী, অ্যাড. খায়রুল কবীর রুমেন পিপি, অ্যাড. নান্টু রায় পিপি, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খায়রুল হুদা চপল, জেল সুপার আজিজুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো. আবু সিদ্দিকুর রহমান, সমাজসেবক নুরুর রব চৌধুরী, অ্যাড. শফিকুল আলম, সাংবাদিক অ্যাড. আইনুল ইসলাম বাবলু, নারীনেত্রী গৌরী ভট্টাচার্য, নৃপেশ তালুকদার নানু প্রমুখ।
সভায় জেএমবি সৃষ্টির কারিগর জামায়াতকে নজরদারীর মধ্যে রাখা এবং সুনামগঞ্জের হাসপাতাল রোডে থাকা তাদের দলীয় কার্যালয়ে নজরদারী বাড়ানোর প্রসঙ্গও আলোচনা হয়।