- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

সমাবেশে বক্তারা ছিলেন আবেগপ্রবণ

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের খসড়া আইন মন্ত্রী পরিষদের সভায় অনুমোদন লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে সমাবেশে বক্তব্য দেবার সময় জেলার সংসদ সদস্য ও রাজনীতিকরা ছিলেন আবেগপ্রবণ। তাঁরা স্থানীয় অন্যান্য উন্নয়নের বিষয়ে যেমন পরিকল্পনামন্ত্রীর সহযোগিতা চেয়েছেন, তেমনি তাঁর হাত ধরে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ, টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, রানীগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর উপর সিলেট বিভাগের সবচেয়ে বড় সেতু ও সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের প্রশস্তকরণের কাজ হওয়ায় বার বার কৃতজ্ঞতা জানান । তাঁকে হাওররতœ, ক্ষণজন্মা এবং কর্মবীরসহ নানা বিশেষণে আখ্যায়িত করেন বক্তারা।
শুরুতেই পৌর মেয়র নাদের বখ্ত তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে এমএ মান্নানের নাম। তিনি সুনামগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নে এমএ মান্নানের প্রচেষ্টায় ৫০ কোটি এবং এর আগে ১৮ কোটি টাকার অনুদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি পৌরসভার উন্নয়নে আরও অর্থ সহায়তা প্রদানের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, পৌর এলাকায় মাধ্যমিক শিক্ষার সুবিধার জন্য নবীনগর ও জলিলপুরে দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় করা জরুরি।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খায়রুল হুদা চপল বলেন, সুনামগঞ্জবাসী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী’র প্রতি কৃতজ্ঞ। অতীতে যা হয়নি, এই সরকারের সময়ে তা হচ্ছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন বলেন, এমএ মান্নান সুনামগঞ্জের সুনাম জাতীয়ভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছেন, তাঁর কর্ম পরিকল্পনায় দেশ এগুচ্ছে। নান্দনিক হচ্ছে সুনামগঞ্জ।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান বলেন, এমএ মান্নানের প্রচেষ্টায় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মমতায় সুনামগঞ্জ শিক্ষা-চিকিৎসায় এগুচ্ছে। তিনি পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য পরিকল্পনামন্ত্রীকে উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানান।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট এমএ মান্নানকে ‘ক্ষনজন্মা’ আখ্যায়িত করে বললেন, তিনি নিজের ভাগ্যের পরিবর্তনের চেষ্টা করেন নি। তাঁর সকল চিন্তা মানুষের জন্য। তিনি ডলুরা শুল্ক স্টেশন চালু করার দাবী জানান।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীমা শাহ্রিয়ার এমএ মান্নানকে ‘হাওররতœ’ আখ্যায়িত করে বলেন, সুনামগঞ্জবাসী’র আকাক্সক্ষা পূরণের চেষ্টা করছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে ভালবাসেন। ভালবাসেন হাওরবাসীকে। হাওরবাসীর সুখ দু:খের কথা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করতে পারছেন এমএ মান্নান। এর আগে এভাবে কেউ সরকার প্রধানকে হাওরের সুখ দু:খ জানাতে পারেননি।
সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্ সুনামগঞ্জবাসীর হাসি অমলিন রাখা এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ডাক্তারের এবং জেলা সদরের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকের শুন্যপদ পূরণে মন্ত্রীর সহযোগিতা চান।
সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, সুনামগঞ্জের নামের আগে অবহেলিত শব্দ উঠে যাচ্ছে। এর সকল কৃতিত্ব জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীসভার সদস্য সুনামগঞ্জের মানুষের ভালবাসার প্রতীক এমএ মান্নানের।
সংসদ সদস্য ড. জয়া সেন গুপ্তা বলেন, আমরা অভিভূত-আনন্দিত, সকলে মিলে আসুন প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করি। পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের হাতকে শক্তিশালী করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করা হবে।
সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক বলেন, সুনামগঞ্জ এবং বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবার চেষ্টা আরও অনেক আগে থেকেই করে যাচ্ছেন এমএ মান্নান। সুনামগঞ্জবাসীকে প্রধানমন্ত্রী সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় উপহার দেবার পর কবিতা লিখে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিয়েছেন। সুনামগঞ্জের উন্নয়নের বিষয়ে তিনি আবেগপ্রবণ। তিনি সুনামগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নে পরিকল্পনামন্ত্রীকে সহযোগিতার অনুরোধ জানান।

  • [১]