ধর্মপাশা প্রতিনিধি
সকাল থেকে তাঁকে বরণের প্রস্তুতি চলছে। তিনি আসবেন এবং জনগণের উদ্দেশ্যে দু’চার কথা বলবেন। পরে তাঁকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে। বিষয়টি আগের দিন মাইকিং করে এলাকায় জানানো হয়েছে। তাঁকে দেখতে ও তাঁর কথা শুনতে এলাকার মানুষজন নির্ধারিত স্থানে এসেছেন। রোদে দাঁড়িয়ে সবাই অধীর অপক্ষোয়, কখন তিনি আসবেন।
যার জন্য এতো অপেক্ষা তিনি হলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সকাল ১১টায় তাঁর আসার কথা থাকলেও অবশেষে তিনি দুপুর দেড়টায় নৌপথে স্পিডবোটে এলেন এবং সবার সামনে দিয়ে গেলেন কিন্তু থামলেন না।
শনিবার ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দশধরি গ্রামের পেছনে কংশ নদের পাড়ে এমনটি ঘটে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওইদিন নেত্রকোনার হাওরাঞ্চল পরিদর্শনে আসেন। তিনি মোহনগঞ্জ উপজেলা থেকে কংশ নদ দিয়ে ধর্মপাশা হয়ে অন্যত্র যাবেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ডা. রফিক চৌধুরীর বাড়ির পাশ দিয়ে। ফলে ডা. রফিক চৌধুরী তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যখন স্পিডবোটে করে মোহনগঞ্জ থেকে রওয়ানা দেন তখন ডা. রফিক চৌধুরী দশধরি গ্রামের পেছনে দুটি ট্রলার দিয়ে অপেক্ষায় থাকেন। যাতে করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডা. রফিক চৌধুরীর সংবর্ধনা গ্রহণ না করে অন্যত্র যেতে না পারেন। কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পিডবোট না থামিয়ে দুটি ট্রলারকে পাশ কাটিয়ে সেখান থেকে চলে যান। এ সময় ডা. রফিক চৌধুরী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে থামার জন্য মাইকে বার বার ডাকতে থাকেন। কিন্তু তিনি না থেমে চলে যান।