- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে জমে পানি, ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার ব্যস্ততম সড়কে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন জনসাধারণ। ড্রেনে ময়লা আবর্জনা জমে পানি নিষ্কাশন না হওয়া ও সড়কের কিছু অংশ অপেক্ষাকৃত নীচু হবার কারণে এই দুর্ভোগ বলে জানিয়েছেন পৌরসভার বাসিন্দারা।
সরেজমিন দেখা যায়, শহরের পুরাতন বাস স্টেশন, ডিএস রোড, জেল রোড, জগন্নাথবাড়ি রোড, স্টেশন রোড, মুক্তারপাড়া, মধ্যবাজার রোডের কিছু অংশে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। ফুটপাত ও সড়কে জমে থাকা আবর্জনা পচে তৈরি হয় কাদা। এসব নোংরা পানি, ফুটপাত ও সড়কের কাদা মাড়িয়েই চলাচল করতে হচ্ছে পৌরবাসিন্দাদের।
স্থানীয়রা বলছেন, সময় মতো ড্রেন দিয়ে পানি না নামার কারণ হলো যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা। নিয়মিত ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার না করায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকেজো হয়ে যাচ্ছে। এতে ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে।
পৌর এলাকার ডিএস রোডের জয়নাল আবেদিন মার্কেটে স্টার টেলিকম এর মালিক আরিফ রহমান জানান, ডিএস রোডে এক প্রান্তে স্টার টেলিকম এবং অপর প্রান্তে সোনালী ব্যাংক। এই সড়কে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে। এছাড়াও সড়কের বিভিন্ন স্থান ভেঙ্গে ছোট ছোট গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছি আমরা। সমস্যায় আছে হাজার হাজার মানুষ।
ডিএস রোডের ফারুক মিয়া বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। সড়কে জমে থাকা নোংরা পানি, ময়লা আবর্জনায় একদিকে চলাচলের সমস্যা, অপরদিকে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
জগন্নাথবাড়ি রোড এলাকার চুন ব্যবসায়ী সুখলাল বলেন, অল্প বৃষ্টি হলেই এই এলাকায় পানি জমে, এতে খুব অসুবিধা হয়। কাদা জমে পাকা সড়কের বেহাল অবস্থা হয়। সড়কটি মেরামত করা দরকার। সেই সাথে ময়লা আবর্জনা প্রতিদিন এখান থেকে সরিয়ে নেয়া দরকার। নইলে একদিকে বৃষ্টির পানি, আরেক দিকে ময়লা আবর্জনা মিশে পরিবেশ দূষিত করবে, চলাচলেও সমস্যা হবে।
সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কালিকৃষ্ণ পাল বললেন, আমরা নিয়মিত পৌর এলাকায় জমে থাকা ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করি। তবুও কিছু এলাকায় ময়লা আবর্জনা থেকে যায়। এজন্য মানুষকে সচেতন হতে হবে। নির্ধারিত জায়গায় ময়লা আবর্জনা ফেলতে হবে। এছাড়াও সড়কের কিছু নিচু এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে জনসাধারণ ভোগান্তির শিকার হন। এসব নিচু সড়ক উঁচু করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এখন বর্ষার সময়, কাজ শুরু করা যাচ্ছে না, এই সময়টুকু পৌর নাগরিক ধৈর্য্য ধরলে বৃষ্টির পর উন্নয়ন কাজ করবো আমরা।

  • [১]