জগন্নাথপুর অফিস
সিলেটে খুন হওয়া ছাত্রলীগ কর্মী ওমর আহমদ মিয়াদের লাশ ময়না তদন্ত শেষে মঙ্গলবার বিকেলে তার গ্রামের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ বালিশ্রী গ্রামে এসে পৌছলে সেখানে এক হৃদয় বিদারক দূশ্যের অবতারণ ঘটে। শেষ বারের মতো একনজর দেখতে আত্মীয়, স্বজন, সহপাঠিসহ শত শত মানুষের সমাগম ঘটে। স্বজনদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। বিকেল সাড়ে চারটায় নিহত ওমরের বাড়িতে জানাজা নামাজ শেষে পরিবারিক কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়।
সোমবার সিলেট নগরীর টিলাগড় এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী ওমর আহমদ মিয়াদ ছরিকাঘাতে খুন হন। রিয়াদ লিডিং ইউনির্ভাসিটিতে আইন বিষয়ে পড়ত। সে বালিশ্রী গ্রামের আবুল মিয়ার ছেলে। তিনি অনেকদিন ধরেই সিলেটের বালুচর এলাকায় বসবাস করে আসছেন।
নিহত ওমর আহমদের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন বালিশ্রী গ্রামবাসী।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্রলীগ কর্মী ওমর ফারুক মিয়াদ হত্যার প্রতিবাদে নগরীতে মাথায় কাফনের কাপড় বে^ঁধে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। হত্যাকান্ডের ঘটনায় সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম. রায়হান চৌধুরীর গ্রেফতার দাবি করে বৃহস্পতিবার সিলেটের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ছাত্রলীগের একাংশ।
সমাবেশে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম ৪ দিনের কর্মসূচী ঘোষণা করেন।
শাহপরান থানার ওসি আকতার হোসেন জানান, ছাত্রলীগ কর্মী খুনের ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। মামলার বিষয়ে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা একটু সময় চেয়েছেন। হয়তো লাশ দাফনের পর মামলা করবেন। তবে মামলা না হলেও হত্যাকারীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান ওসি।