লন্ডন প্রতিনিধি
ফেঞ্চুগঞ্জ-দক্ষিনসুরমা সিলেট-৩ আসন থেকে নৌকার মাঝি হতে চান যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ব্যারিষ্টার মনির হোসেন। বৃটেনে বসবাসরত সর্বস্থরের ফেঞ্চুগঞ্জ-দক্ষিণ সুরমাবাসী আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি তার এই আগ্রহের কথা জানান।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প বাস্তবায়নে আমি অংশিদার হতে চাই। মনির হোসেন তার দীর্ঘ সামাজিক এবং রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন সকলেই জানেন, আমি মানুষের কল্যাণে কাজ করার আন্তরিক চেষ্টা করি। শিশু কাল থেকে লেখাপড়ার পাশাপাশি জাতির জনকের আদর্শের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তারই ধারাবাহিকতায় সিলেট মদন মোহন কলেজ এবং ‘ল’ কলেজের ভিপি ছিলাম। বৃটেনে অভিবাসী হওয়ার পর বিভিন্ন সমাজ কর্মের পাশাপশি সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত আছি। দীর্ঘ বিশ বছর বৃটেনে মেইনষ্ট্রীম স্কুলে শিক্ষকতা করেছি বর্তমানে একজন ব্যারিষ্টার হিসেবে কর্মরত আছি। বাংলাদেশ টিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, গ্রেটার সিলেট কাউন্সিল ইউকের কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার।
তিনি জানান বর্তমানে ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সর্বইউরোপীয় বঙ্গবন্ধ পরিষদের সহসভাপতি ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
গত ১২অক্টোবর রাতে ইষ্টলন্ডনের স্বাদ রেষ্টুন্টে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক স্পীকার কাউন্সিলার খালিছ উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রেস ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন, টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক লিডার হেলাল আববাস, বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরাম লন্ডন রিজিওনের প্রেসিডেন্ট বাতিরুল হক সর্দার, সাবেক ছাত্র নেতা হেলাল উদ্দিন, সাংবাদিক ফরহাদ চৌধুরী, আব্দুস সত্তার সহ সিলেট-৩ নির্বাচনী এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নেত্রী যাকেই নমিনেশন দেবে তার প্রতি আমার সমর্থন থাকবে। তিনি বলেন সিলেট তিন আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়। আর এলাকাবাসীর জন্য কিছু করার ইচ্ছে থেকে প্রার্থী হতে চাই। আমার বিশ্বাস নেত্রী আমাকেই এই আসনে মনোনয়ন দেবেন। তিনি বলেন আপনারা দেখলে অবক হবেন সাড়া দেশে যখন উন্নয়নের জোয়ার বইছে দক্ষিন সুরমায় এর কোন চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়না, যা হয়েছে সব ফেঞ্চুগঞ্জে। আমার বাবা ছিলেন প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক, আমার আত্মীয় স্বজন বা পরিবারের কেউ স্বাধীনতা বিরোধী ছিলেননা, কারও বাড়ী বা সম্পদ দখলের অভিযোগও আমাদের উপর নেই। এলাকার মানুষ পরিবর্তন চায়, চায় উন্নয়ন।