স্টাফ রিপোর্টার
হাওর এলাকা পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলেছেন গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদের নেতৃত্বে বুধবার দিনব্যাপী খরচার হাওর, শনির হাওরসহ বিভিন্ন
হাওর পরিদর্শন করেন নেতৃবৃন্দ। প্রতিনিধি দলের অন্যান্যরা হলেন গণফোরাম’র ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক এম.এম ফজলুল কবির কাওসার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক খান সিদ্দিকুর রহমান, যুব বিষয়ক সম্পাদক রওশন ইয়াজদানী।
এছাড়াও প্রতিনিধি দলের সাথে ছিলেন জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি চিত্তরঞ্জন তালুকদার, হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান।
পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যায় গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক এম. এম ফজলুল কবির কাওসার জানান, পরিদর্শনকালে তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা লক্ষ করেছেন। এলাকার লোকজন পাউবো, পিআইসি, ঠিকাদারদের দুর্নীতি ও অনিয়মের নানা বিষয় তাদের কাছে তুলে ধরেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে দুর্নীতিবাজদের বিচারের দাবি জানান।
ক্ষত্রিগ্রস্ত মানুষের অনুপাতে বর্তমানে ওএমএস কার্যক্রম অপর্যাপ্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি হাটবাজারে ওএমএস চাল বিক্রি করতে হবে।
তিনি বলেন, ঢাকায় ফিরে আমরা আগামী শনিবার অথবা রবিবার হাওরাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করব। গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে দেশী এবং বিদেশী বিভিন্ন সংস্থার কাছে হাওরাঞ্চলের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরা হবে সংবাদ সম্মেলন যাতে হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের রক্ষায় সকলেই তৎপর হয়।
এসময় তিনি সুনামগঞ্জ জেলাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবি এবং হাওরাঞ্চলের ফসল রক্ষার জন্য নদী খনন, স্থায়ী বাঁধ ও ১ কি.মি অন্তর স্লুইস গেইট নির্মাণের দাবি জানান।