- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

সুনামগঞ্জে ওএমএস-এর চাল বিক্রি বিষয়ে কোন নির্দেশনা আসেনি

স্টাফ রিপোর্টার
ওএমএস এর আওতায় মানুষ কম টাকায় চাল কেনার সুযোগ পেত। কিন্তু প্রায় একমাস ধরে ওএমএস’র চাল বিক্রি বন্ধ থাকায় মানুষ এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমন কোন দিন নেই যে, ২০ থেকে ৩০টি ফোন আমাকে রিসিভ করতে হয় না। সবাই ফোন করে জানতে চায় কবে থেকে চাল বিক্রি শুরু হবে। কিন্তু আমাদের কাছে কোন খবর না থাকায় কাউকে কিছু বলতে পারি না। দ্রুত ওএমএস-এর চাল বিক্রি শুরু করা প্রয়োজন। ’
ওএমএসের চালের চাহিদা নিয়ে সাধারণ মানুষের চাহিদার বিষয়টি এভাবে জানালেন জামালগঞ্জের ফেনারবাঁক ইউপির ওএমএস ডিলার সুব্রত পুরকায়স্থ। শুধু সুব্রত পুরকায়স্থই নন, গত ২৫ দিন ধরে ওএমএস-এর চাল বিক্রি বন্ধ থাকায় জেলার সকল ডিলারকে ফোন করে এলাকার দরিদ্র লোকজন জানতে চান কবে থেকে ওএমএস চালু হবে।
সুনামগঞ্জের হাওরের বোরো ফসলহানির পর দরিদ্রদের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) এর চাল বিক্রি শুরু করেছিল। গত ৬ এপ্রিল সুনামগঞ্জের ৪২ টি ডিলার পয়েন্টে ৪২ ডিলার প্রতিদিন ১ মে. টন চাল ও ১ মে. টন আটা বিক্রি করতে ডিলারগণ। পরে ডিলার সংখ্যা বাড়িয়ে ১১০ জনে উন্নীত করা হয়েছিল।
তবে কোন ঘোষণা ছাড়াই গত ১ জুলাই থেকে ওএমএস চাল বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আবার কবে থেকে চাল বিক্রি শুরু হবে তার কোন ঘোষণা বা নির্দেশনা পায়নি জেলা খাদ্য বিভাগ। গতকাল সোমবার বিকাল পর্যন্ত খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে কোন নির্দেশনা আসেনি।
১৫ টাকা কেজি দরে ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) এর চাল বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সুনামগঞ্জের সাধারণ মানুষ। গত ১ জুলাই থেকে সুনামগঞ্জের ১১০টি ডিলার পয়েন্টে ওএমএসের চাল বিক্রি বন্ধ রয়েছে।
দ্রুত ওএমএসের চাল বিক্রি পুনরায় চালু করার জন্য গত ২ জুলাই রোববার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রককে চিঠি পাঠিয়েছেন। তবে গতকাল ২৪ জুলাই সোমবার বিকাল পর্যন্ত কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। কবে আবার ওএমএস চাল      
বিক্রির কার্যক্রম চালু হবে তা নিশ্চিত করতে বলতে পারেননি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. জাকারিয়া মোস্তফা।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. জাকারিয়া মোস্তফা বলেন,‘খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের নির্দেশেই সুনামগঞ্জসহ সারা দেশেই ওএমএসের চাল বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সুনামগঞ্জে দ্রুত এই কার্যক্রম আবারও চালু করার জন্য আমরা বেশ আগেই চিঠি লিখেছি। তবে সোমবার পর্যন্ত কোন নির্দেশনা পাইনি আমরা।’

  • [১]