স্টাফ রিপোর্টার
শাল্লার নোয়াগাঁওয়ের সেই ঝুমন দাশ নিজের ইউনিয়ন হবিবপুরে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৬৮ ভোট। তবে ইউনিয়নের ১০ কেন্দ্রেই কিছু কিছু ভোট পেয়েছেন তিনি।
বিতর্কিত হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘটনায় কারা ভোগ করেছিলেন শাল্লার নোয়াগাঁওয়ের ঝুমন দাশ।
পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ঝুমন। তার প্রতীক ছিল ঘোড়া। এই ইউনিয়নে বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সুবল চন্দ্র দাস ৬৫৯০ ভোট পেয়েছেন।
ইউনিয়নে বৈধ ও অবৈধ ভোট মিলে ১৬ হাজার ৪২৮ ভোট কাস্ট হয়। কাস্টিং ভোটের আটভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় ঝুমন দাশের মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হবে। এছাড়া এই ইউনিয়নে অনিশ কান্তি দাশ নামের আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হয়।
শাল্লার নোয়াগাঁও গ্রামের ঝুমন দাশের ফেসবুক আইডি থেকে হেফাজত ইসলামের বিতর্কিত নেতা মাও. মামুনুল হককে সমালোচনা করে গত বছরের ১৬ মার্চ ফেসবুকে কথিত স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়ায় হেফাজত ইসলামের সমর্থকরা পরদিন ১৭ মার্চ হিন্দু অধ্যুষিত নোয়াগাঁও গ্রামের ৮৮ বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুর করে। গ্রামের ৫ টি মন্দিরও ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় তিনটি মামলা হয়।
আটক ঝুমন দাশ গেল বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর জামিন লাভ করেন। ইউপি নির্বাচনে তার প্রাপ্তি হওয়ার বিষয়টি এলাকাসহ সর্বত্র আলোচনার বিষয় ছিল। ঝুমন দাশ তার নিজের কেন্দ্র হবিবপুর ইউনিয়নের হবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪৯২ ভোট পেয়েছেন।