স্টাফ রিপোর্টার
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় জামখলা হাওরের সেচ পাম্প নিয়ে ম্যানেজারের কারচুপি ও অসততা বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন কৃষকরা। পরে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেবার দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে শহরের আলফাত স্কয়ারে মৌগাঁও গ্রামবাসির ব্যানারে ও জেলা কৃষক সমিতির উদ্যোগে এই মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করা হয়।
গ্রামের কৃষক বিজয় বৈদ্য’র সভাপতিত্বে ও জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি আসাদ মনি’র সঞ্চালনায় মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষক সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দুর্যোধন দাস দুর্জয়, ভুক্তভোগী কৃষক ভুষন বৈদ্য, শংঙ্কর বৈদ্য, অরুণ বৈদ্য, কৃষক সমিতির সদস্য দীপক দাস প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, জামখলা হাওরের প্রায় সাতশ’ কেয়ার জমি রয়েছে। এই জমিগু চাষাবাদের জন্য সরকার বিএডিসি’র মাধ্যমে একটি সেচ পাম্পদিয়েছেন। নীতিমালা অনুযায়ী প্রথম দিকে বোরো ধানের জমি থেকে কেয়ার প্রতি ৩০ কেজি ও আমন ধানের জমি থেকে কেয়ার প্রতি ৪০ কেজি ধান নেয়া হতো। কিন্তু এখন এর চেয়ে বেশি নেয়া হচ্ছে।
সেচ পাম্পের ম্যানাজার মো. তরুণ মিয়া কৃষকদের সুবিধা অনুযায়ী সেচ পাম্প চালু করেন না দাবি করে বক্তারা বলেন, ২ বছর সেচ পাম্প থেকে ভালো পানি দেয়া হচ্ছিলো। কিন্তু ম্যানাজার তার আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে কমিটি করে বোরো জমি থেকে ৬০ কেজি ও আমন ধানের জমি থেকে ৮০ কেজি করে ধান সংগ্রহ করছেন।
ম্যানাজার মো. তরুণ মিয়া অবশ্য বলেছেন, অভিযোগ সত্য নয়। আমাকে হেনস্থা করার জন্য তারা এমন অভিযোগ এনেছে। আমি লিজ এনেছি। কারো কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছি না। সরকারি নিয়মনীতি অনুসারেই প্রতিবছর কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করছি।