স্বপন কুমার বর্মন, বিশ্বম্ভরপুর
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকারে বিশ্বম্ভরপুরে নানা আয়োজনে বিজয়ের ৫১ বছর পুর্তি উদযাপন করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শুক্রবার দিবসের কর্মসূচির মধ্যে ছিল ৩১বার তোপাধ্বনী, কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তপক অর্পণ, আনুষ্ঠানিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মাঠে কুচকাওয়াজ, দুর্নীতি প্রতিরোধে শপথ বাক্য পাঠ, ডিসপ্লে, খেলাধুলা, পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংর্বধনা, সম¥াননা প্রদান, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মোনাজাত প্রার্থনা, আলোকসজ্জা, হাসপাতালে বিশেষ খাবার পরিবেশন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লেডিস ক্লাবের বিশেষ অনুষ্ঠান, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভিন্ন কর্মর্সূচি ইত্যাদি।
উপজেলা কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তপক অর্পণ করেন উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, থানা পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন, উপজেলা জাতীয় পার্টি ও অঙ্গসংগঠন, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্পকলা একাডেমী, উপজেলা প্রেসক্লাব, উপজেলা ক্রীড়া স্ংস্থা, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগসহ সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।
দুপুরে উপজেলা সদরে বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এবং দেশকে সোনার বাংলায় গড়ার অঙ্গীকারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাদি উর রহিম জাদিদ এর সভাপতিত্বে ও শিক্ষক অঞ্জন কুমার দে এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ সফর উদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি), শিল্পী রাণী মোদক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তাজ্জত আলী খান, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল হোসেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ আপ্তাব উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি বেনজির আহমদ মানিক, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, মো: আব্দুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন প্রমুখ।
সন্ধ্যায় উপজেলা সদরে উপজেলা শিল্পকলার একাডেমীর আয়োজনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এতে শিল্পকলার একাডেমীর শিল্পীগণ ও বিভিন্ন শিল্পীরা সংঙ্গীত পরিবেশন করেন। তাছাড়াও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।