সঙ্ঘমিত্রা ভট্টাচার্য্য
শ্রাবনের ধারা ধুয়ে নিলো রক্তের বন্যা
নদী হয়ে সাগরে জমা হলো তা
বাস্পের লালে সেজেছে আকাশ কন্যা
লালকালিতে লিখা হলো কবিতা।
কোথা থেকে কেমন করে ঝরে লাল খুন
জলে ধুয়ে কেমনেই তা মিশলো সাগরে
আকাশ কন্যার পায়ে আওয়াজ ঝুনঝুন
কবিতা পাঠ হচ্ছে বাঙালির ঘরে ঘরে।
পাঠে পাঠে ফুটে উঠে বেদনার কাহিনী
ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বরে যা ঘটেছিলো
পঁচাত্তরের পনরোই আগষ্ট জানি জানি
সে রক্ত স্রোতই সাগরে ঠাঁই নিয়েছিলো।
শ্রাবন শেষে ভাদ্রের প্রখর তাপদাহে
বাস্প সে রক্তধারা আকাশে দিলো ঠেলে
আকাশ কন্যা কলমে নিয়ে বলে বাহে
লিখে দাও কবিতা ঘাতকের কথা বলে।
খুনের কালির আঁচরে বেরিয়ে এলো সত্য
ঘরে ঘরে পাঠ শেষে একজোটে সংকল্প
জাতির পিতার খুনীরা আছে দূরে যতো
কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে নিতে হবে প্রকল্প।
অবশেষে বিচারের রায়ে আসলো মৃত্যুদ-
খুনি হিংস্র দানবরা নিক্ষিপ্ত হলো জেলে
আস্ফালন ধূলোয় মিশলো কার্যকরে দ-
তারআগে ধিকৃত আম জনতার রোষানলে।
শেষ হবার নয় পিতার চোখের তারার স্বপ্ন
সোনার বাংলা গড়তে আলোর মশাল হাতে
এগিয়ে দেশ এগিয়ে সূচক স্বপ্নসুখের রত্ন
দুখী মানুষের বুকভরা প্রশ্বাস তৃপ্তির সাথে।
স্বপ্নবাজের খোলাচোখে দিবালোকের স্বপ্ন
চুরমারে নিঃশেষ অসাধ্য, যা একান্ত প্রাণবন্ত
স্বপ্ন বাঁচলে মানুষও রয় বেঁচে এক্কেবারে সত্য
জাতির পিতা তিনি সর্বশ্রষ্ঠ বাঙালি- বঙ্গবন্ধু
স্মরণে- বরণে শিখরে, বিশ্বব্যাপী জীবন্ত।
১৪/০৮/২০২০