স্টাফ রিপোর্টার
পরিকল্পনা মন্ত্রী এম.এ মান্নান বলেছেন,‘আমরা ১৫ আগস্টে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছি। ১৯৭৫ সালে এই দিনে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল ষড়যন্ত্রকারীরা। ২১ আগস্ট পুনরায় ষড়যন্ত্রকারীরা গ্রেনেট হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। কিন্তু আল্লাহর অশেষ কৃপায় তিনি রক্ষা পেয়েছেন। এসব বিষয়ে স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্মকে জানতে হবে।
এম.এ মান্নান বলেন, দেশে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করছে তারা। এই চক্র দেশের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছি। আমরা সঠিক পথে এগুচ্ছি।
তিনি বলেন, অপরাধীরা চায় না দেশের নি¤œ আয়ের মানুষের জীবন মানের উন্নয়ন হউক। চায় না হাওরাঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন। দেশের করোনা ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সহায়তা দিতেও তারা বাধার সৃষ্টি করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের সুনামগঞ্জের উন্নয়নের জন্য খুবই আন্তরিক। সকলে মনে রাখতে হবে আওয়ামী লীগে ষড়যন্ত্রকারীদের স্থান নেই। শত্রু-মিত্র যাচাই করে দলে ঢুকাতে হবে।’ শুক্রবার বিকালে গ্রেনেট হামলায় নিহত শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠিত ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাতক-দোয়ারা আসনের এমপি মুহিবুর রহমান মানিক। সভায় বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর-বিশ্বম্ভরপুর আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মতিউর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. আপ্তাব উদ্দিন, অ্যাড. সফিকুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হায়দার চৌধুরী লিটন ও অ্যাড. নান্টু রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুর রহমান সিরাজ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আ.লীগ নেতা অ্যাড. নুরে আলম সিদ্দিকী উজ্জ্বল ও অ্যাড. আবুল আজাদ।
এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক শাহ আবু নাসের, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রিপন, সাবেক ছাত্র নেতা আতিকুর রহমান আতিক, জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি সানজিদা আক্তার দিনা ডায়না, জেলা তথ্যপ্রযুক্তি লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন শাহীন।
পরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন পৌর কাউন্সিলর ও আ.লীগ নেতা মো. মফিজুল হক ও গীতা থেকে পাঠ করেন অ্যাড. মলয় চক্রবর্তী রাজু।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক দেওয়ান ইমদাদ রেজা চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ ইশতিয়াক শামীম, সদর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন, আ.লীগ নেতা সুবীর তালুকদার বাপ্টু, রেজাউল করিম নিক্কু, ছাত্র নেতা আক্তারুজ্জামান সেলিম প্রমুখ।