সাইদুর রহমান আসাদ
হঠাৎ সিএনজি পাম্প থেকে যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় সিলেট- সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করেন সিএনজি চালকরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে মল্লিকপুর সিনথিয়া সিএনজি পাম্পের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এসময় ৩০ মিনিট যান চলাচল বন্ধ ছিলো। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
অবরোধকারী সিএনজি চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে পাম্পে গ্যাস বন্ধ করা হয়। দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করা সিএনজি চালকরা এতে ক্ষুব্ধ হয়। পরে পাম্পের সামনে সড়ক অবরোধ করেন চালকরা। এসময় সড়কে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। ৩০ মিনিট পর ট্রাফিক পুলিশ আসলে যান চলাচল স্বাভাবিক করে দেয়া হয়।
সিএনজি চালক রুবেল মিয়া বললেন, গ্যাস নেয়ার জন্য বেলা ১১টা থেকে বসে ছিলাম। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে গ্যাস দেয়া বন্ধ করে দেয়া হয়। কেনো বন্ধ করা হয়েছে, জিজ্ঞেস করায় তারা বলেছে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বন্ধ করা হয়েছে পাম্প। গ্যাস না পেলে আমরা না খেয়ে থাকতে হবে। তাই সড়ক অবরোধ করেছিলাম আমরা।
সিএনজি চালক শামছুল বললেন, আমরা দৈনিক ৫০০ টাকা দিয়ে গাড়ি ভাড়া এনে চালাই। আড়াইটার দিকে পাম্প বন্ধ করায় গাড়ির মালিককে কি দেবো, বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে পরিবার চালাবো কিভাবে? তাই কোনো উপায় না পেয়ে সড়ক অবরোধ করেছি। আমরা চাই আগের মতো সিএনজি পাম্প সব সময় চালু থাকুক।
সিনথিয়া পাম্পের ব্যবস্থাপক কাজল দে জানালেন, অনুমোদিত লোড এর বেশি গ্যাস বিক্রয় করা যাবে না। এই জন্য আমরা গ্যাস বন্ধ রাখতে হয়েছে। আমাদের কিছুই করার ছিল না।
সুনামগঞ্জ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মহিবুল ইসলাম বললেন, পাম্পে সমস্যা হওয়ার কারণে কিছু সময় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিলো। এটা নিয়ে সিএনজি চালকরা ক্ষুব্ধ হয়ে কিছু সময় সড়ক অবরোধ করে। এখন সবকিছু ঠিক রয়েছে।
জালালাবাদ গ্যাসের সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক শফিকুল হক বললেন, বর্তমান সময়ে অনুমোদিত লোড এর অতিরিক্ত গ্যাস কেউ ব্যবহার করতে পারবেন না। এই সীমাবদ্ধতায় পাম্প কর্তৃপক্ষ গ্যাস বন্ধ রেখেছিলেন। আমরা গ্যস সরবরাহ বন্ধ রাখিনি।