স্টাফ রিপোর্টার
অতিবৃষ্টি আর ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে সুনামগঞ্জ জেলায় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বোরো ধান তলিয়ে গেছে। একমাত্র ফসল হারিয়ে হাওরের কৃষকরা আজ দিশেহারা। কৃষকদের ঘরে আজ খাবার নেই। হাওরের এ বাঁধ নির্মাণের সাথে জড়িত পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তাদেরকে আইনের আওতায় আনলে আগামীতে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে কেউ দুর্নীতি করার সাহস দেখাবে না।
মঙ্গলবার দুপুরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী খাদ্য গোদাম প্রাঙ্গণে কৃষক সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী এ কথা বলেন।
জয়শ্রী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এমএ কালাম আজাদ’র সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইসতিয়াক হোসেন চৌধুরী স্বপন, সাবেক প্রচার সম্পাদক মজিবুর রহমান মজুমদার, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য জুলফিকার আলী ভুট্টো, উপজেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি আফসারুল আলম চন্দন পীর, সুখাই রাজাপুর দক্ষিণ ইউপি বিএনপি’র সভাপতি সালাউদ্দিন মাহতাব, পাইকরাটি ইউপি বিএনপি’র সভাপতি মাহবুব আলম মুর্শেদ, সেলবরষ ইউপি বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক সাদেক তালুকদার, সুখাইর রাজাপুর উত্তর বিএনপি’র সভাপতি বশির আহম্মদ, ধর্মপাশা সদর ইউপি বিএনপি’র সভাপতি নুরুল ইসলাম বিএইসি, ধর্মপাশা উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক মো. খোকা মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আওলাদ হোসেন, মধ্যনগর থানা কৃষক দলের আহবায়ক কাজল কান্তি রায়, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক হামিদুল ইসলাম চৌধুরী মিলন, আলমগীর কবির তালুকদার, আব্দুল হেকিম, শাহ কামাল মির্জা, কামাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মুখলেছুর রহমান, বাবুল মিয়া, সোহেল মিয়া, জয়শ্রী ইউপি যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা ওবায়দুর রহমান, তৌফায়েল আহম্মেদ, মজনু, নুরুল আমিন, কামরুল, নজরুল ইসলাম প্রমূখ।