স্টাফ রিপোর্টার
সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হালুয়ারগাঁও-রহমতপুর চলাচল রাস্তার বেহাল অবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তার উন্নয়ন নেই। এই কারণে প্রতি বছর ৬ মাস কাদা ও পানিতে ভোগান্তির শিকার হতে হয় পথচারীদের। সড়কে মাটি ভরাট করে উঁচুকরণ এবং পাকাকরণের দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, হালুয়ারগাঁও-রহমতপুর চলাচল রাস্তা দিয়ে যুগের পর যুগ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ চলাচল করে আসছেন। কিন্তু এই রাস্তায় কোনো সময় সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে মাটি ভরাটের কাজ করা হয়নি। তবে প্রায় ১৫ বছর আগে সামান্য মাটি ফেলা হয়েছিল এই রাস্তায়। এই মাটি ধুয়ে মুছে এখন হালট আকৃতি ধারণ করেছে। সার্বক্ষণিক বাড়ি-ঘরের পানি চলাচল করে রাস্তা দিয়ে। রাস্তা অতি নিচু এবং হালট আকৃতির হওয়ায় বর্ষায় কোমর পানি ও পানি কমে গেলে কাদা পানির সৃষ্টি হয়। হালুয়ারগাঁও, রহমতপুর, বালিকান্দি এলাকার মানুষজন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছেন।
পথচারী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, মাঝে মধ্যে এই রাস্তায় চলাচল করি। কিন্তু ভোগান্তির শেষ নেই। বর্ষায় কোমর পানি, পানি কমে গেলে কাদা। প্রতিদিন জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়া করেন। এই রাস্তার যথাযথ উন্নয়ন প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক আহমদ বলেন, আমরা রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন থেকে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত হয়ে আসছি। রাস্তায় চলাচলে আমাদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। এই রাস্তার যথাযথ উন্নয়ন হলে এলাকার মানুষের জীবন জীবীকার উন্নয়ন হতো। রাস্তার যথাযথ উন্নয়নের দাবি আমাদের। স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ফিরোজ মিয়া বলেন, এই রাস্তায় আমি ইউপি সদস্য থাকাকালীন সময়ে একবার সামান্য মাটি ফেলেছিলাম। এরপর আর কোনো মাটি ফেলা হয়নি হালুয়ারগাঁও রাস্তায়। এই রাস্তায় মাটি ফেলে উঁচু করে পাকাকরণ করলে মানুষ ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণ পাবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম বলেন, আমার আমলে কোনোদিন হালুয়ারগাঁও-রহমতপুর রাস্তায় মাটি ভরাট কাজের বরাদ্দ পাইনি, তাই মাটি ভরাটের কাজ করিনি। আগামীতে এই রাস্তায় মাটি ভরাটের চিন্তাধারা আছে।