স্টাফ রিপোর্টার
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলায় ৪২ জনকে হোম কেয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয় ৪৪ জনকে। বর্তমানে কেয়ারেন্টাইনে আছেন ৩১৮ জন। ১২ জনকে আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে। মোট আইসোলেসনে গেছেন ৭১১ জন। করোনা সন্দেহে এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৬৭৮৫ জনের। ৬৪১০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৭১১ জনের শরীরে। নমুনার রিপের্টের অপেক্ষায় আছেন ৩৭৫ জন।
এই পর্যন্ত জেলায় সবচেয়ে বেশী ১৯১ জন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ছাতক উপজেলায়। এছাড়্াও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৭৭ জন, দিরাই উপজেলায় ১৮ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ৬১ জন, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৫৫ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৬২ জন, শাল্লা উপজেলায় ২৫ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ৫৫ জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ২৫ জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ১৮ জন, তাহিরপুর উপজেলায় ২৪ জন শনাক্ত হয়েছেন।
কোভিড ১৯ পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- সুনামগঞ্জে নতুন করে বিদেশ প্রত্যাগত আরও ৩ জন প্রবাসী সুনামগঞ্জে এসেছেন। অদ্যাবদি মোট কোয়ারেন্টিনে এসেছেন ৫৮৭২ জন। পাশাপাশি কোয়ারেন্টিন সম্পন্ন করেছেন ৫৫৫৪ জন। গত ১ মার্চ থেকে বিদেশ থেকে জেলায় এসেছেন ২৬২৯ জন।
উল্লেখ্য, করোনা চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ১০০টি বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। ছাতক, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, জগন্নাথপুর, ধর্মপাশা, দিরাই, শাল্লা উপজেলায় ৩টি করে বেড এবং সুনামগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও আনিছা হেলথ কেয়ারে ২টি করে বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলায় করোনা চিকিৎসার জন্য মোট ১৩১ টি বেড রয়েছে।