স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহবায়ক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল বলেছেন, চিকিৎসা জগতে হ্যোমিওপ্যাথিক হচ্ছে স্থায়ী রোগ নিরাময়ের একটি আধুনিক চিকিৎসা। স্বাধীনতা পরবর্তী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হ্যোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রসারে অনেক কাজ
করে গেছেন এখন তার সুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সারা বাংলাদেশে হ্যোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রসারে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন জেলাতে হ্যোমিওপ্যাথিক কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ করে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় হ্যোমিওপ্যাথি সোসাইটি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে ও মিডিয়া পার্টনার মোহনা টেলিভিশনের সহযোগিতায় শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়নে বাংলাদেশ হ্যোমিওপ্যাথি সোসাইটি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খায়রুল হুদা চপল এসব কথা বলেন।
হ্যোমিওপ্যাথি সোসাইটি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি দেবব্রত বণিকের সভাপতিত্বে এবং ডা. সাজ্জাদুর রহমান ও ডা. ফরহাদ হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহবায়ক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ হ্যোমিওপ্যাথি সোসাইটি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. ইমদাদুল হক, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. মো. আবুল হোসেন, সিলেট জালালাবাদ হ্যোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. এম এ মুজাহিদ খাঁন, হ্যোমিওপ্যাথি সোসাইটি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. নাজমুল হক, সিলেট জেলা হ্যোমিওপ্যাথিক সোসাইটির সভাপতি ডা. শরীফ শাহরিয়ার চৌধুরী, সুনামগঞ্জ পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও জেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য নুরুল ইসলাম বজলু, মোহনা টেলিভিশন ও দৈনিক অধিকারের জেলা প্রতিনিধি কুলেন্দু শেখর দাস, ডা. ওবায়দুল হক মুন্সি, ডা. মোহাম্মদ হোসেন, ডা. আজিজুর রহমান ও ডা. রনধীর চন্দ প্রমুখ।
আলোচনা শেষে জেলার হ্যোমিওপ্যাথিক জগতের সনামধন্য প্রয়াত ডা. উপেন্দ্র দাস ও প্রয়াত ডা. কমলা কান্ত দাস তালুকদারসহ ৯ জন ডাক্তারের সন্তানদের হাতে মরনোত্তর সম্মাননা ক্রেষ্ট ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা। এছাড়াও ৯জন প্রবীণ ডাক্তার ও ৯ জন কর্মীর হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেয়া হয়।
ডা. দেবব্রত বণিক কে সভাপতি ও ডা. ওবায়দুল হক মুন্সিকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭৬ সদস্য বিশিষ্ট সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির নাম ঘোষণা করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।