স্টাফ রিপোর্টার
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, বাংলাদেশে কোন সমস্যাই থাকবে না, যদি করোনার প্রভাব পুরোপুরি কাটিয়ে উঠা যায়। করোনার প্রভাব কেটে গেলে বাংলাদেশ অর্থনেতিকভাবে চাঙ্গা হয়ে যাবে। বাংলাদেশের উন্নয়নে যত প্রকল্প আছে সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরের চলমান ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী এসময় বলেন এখনকার বাঁধের কাজের মান অতীতের চেয়ে ভালো হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ সদস্য অ্যাড. শামীমা শাহরিয়ার, জেলা প্রশাসক মো.জাহাঙ্গীর হোসেন,
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ প্রমুখ।
মন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে পুরো বিশ্ব অর্থনেতিক মন্দা যাচ্ছে, বাংলাদেশ কিন্তু তার ব্যতিক্রম নয়। আমরা ভাগ্যবান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের অগ্রগতি বেশি। তিনি বলেন, হাওর এলাকার মানুষের জীবন মান উন্নয়নের জন্য ৪৯১ কোটি টাকার একটি কজওয়ে প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আছে। এই প্রকল্পটি শীগগিরই একনেকে উঠবে। এটি পাশ হওয়ার সাথে সাথে কাজ শুরু হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা ভাগ্যবান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো যোগ্য নেতা পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার
জন্য কাজ করছি আমরা। ২০৩১ সালের ভেতর এটি অর্জন হবে। ২০৪০ সালের মধ্যে আমরা সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হবো।
আমাদের আশেপাশের প্রতিবেশি দেশের তুলনায় আমাদের জিডিপি পার ক্যাপিটাল ইনকাম সবকিছু বেশি। করোনার আগে যে মাত্রায় আমাদের অগ্রগতি হচ্ছিলো করোনাকালীন সময়ে সে তুলনায় আমরা একটু স্লো যাচ্ছি। কিন্তু কোন উন্নয়ন কাজ থেমে নেই।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। চারিত্রিক বৈশিষ্টে আমাদের একেক নদীর একেক বৈশিষ্ট্য। জলবায়ূ পরিবর্তনের জন্য এর পরিবর্তনের মাত্রাটা আরও বিস্তার লাভ করেছে। এখানে আমরা সঠিকভাবে সমীক্ষা না করে তরিগড়ি করে যদি কাজ করি, পরে এইটা যখন ভেঙে যাবে, তখন আপনারাই দোষারূপ করবেন। আমরা আপনাদের এলাকার লোকজনের দুঃখ দুদর্শার কথা জানি। ২০১৭ সালের পরে আগাম বন্যা আর হয়নি। এখনকার বাঁধের কাজের মান অতিথের চেয়ে ভালো হচ্ছে।