লিপসন আহমেদ
পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের কর্মসূচীকে ঘিরে বিভক্ত ছিল দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ। সংগঠনের একাংশের দাবি, স্থানীয় একজন ‘বিতর্কিত’ ব্যক্তির আমন্ত্রণে তিনি দিরাইয়ে আসছেন। অপরাংশ বলেছে যারা বাধা দেবার চেষ্টা করছে তারা উন্নয়ন চায় না। এই অংশ পরিকল্পনামন্ত্রীর দিরাই সফর উপলক্ষে আনন্দ মিছিল করে। এদিকে দিরাই আওয়ামীলীগ দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ায় চিন্তায় পরে যান গ্রামবাসী। অবশেষে সকল জল্পনা কল্পনার অবশান ঘটিয়ে শনিবার বিকালে হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।
এর মাধ্যমে ৪০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হয়েছে। হাসপাতাল উদ্বোধন হওয়ার আনন্দে পুরো গ্রামে চলছে আনন্দ উৎসবের মিছিল। ছোট থেকে বৃদ্ধ ব্যান্ডপার্টি বাজিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
জগদল ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল মতিন জানান, আমি কল্পনাও করতে পারিনি মরার আগে ঐ হাসপাতালের কার্যক্রম চালু হবে। কিন্তু অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি। আল্লাহ উনাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখুক।
জগদল ইউনিয়েন বাসিন্দা জাহেদ আহমদ জানান, এত খুশি আজকে আমরা এলাকার মানুষ হাসপাতালটি চালু হওয়ায়। ১০ থেকে ১২ বছর যাবৎ চিকিৎসা পেতে আমাদের পড়তে হয়েছে নানা ভোগান্তিতে। আমাদের চোখের পানি কে দেখে। আজকে মন্ত্রী মহোদর নিজে এসে আমাদের হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন, আমরা খুব আনন্দিত।
গ্রামের বাসিন্দা নুর নাহার জানান, অনেক দিন যাবৎ আমি অসুস্থ, যাতায়াতের টাকা নেই সেই জন্য দিরাই, বা সুনামগঞ্জে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে পারিনি। আজকে বাড়ির পাশে হাসপাতালটি চালু হওয়ায় বিনা টাকায় বিনা ভোগান্তিতে ডাক্তার দেখাতে পেরেছি এবং ওষুধ ও বিনামূল্যে পেয়েছি।