- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

৪৮ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩১ জন

বিশেষ প্রতিনিধি
আগামী শনিবার ষষ্ঠ ধাপে ধর্মপাশা উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৫৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। ৪জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন এবং একজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বর্তমানে ১০ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন দলীয় ও স্বতন্ত্রসহ মোট ৪৮ জন প্রার্থী। তবে নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ৩১ জন রয়েছেন বলে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণির ভোটারদের কাছ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, চেয়ারম্যান পদে সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ফখরুল ইসলাম চৌধুরী (আ.লীগ), নুরুল ইসলাম (বিএনপি) ও সেলিম আহমেদ (আ.লীগ বিদ্রোহী)। এই ইউনিয়নে তিন প্রার্থীর মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে।
সেলবরষ ইউনিয়নে আলা উদ্দিন শাহ (আ.লীগ), আলী আমজাদ (বিএনপি), আবু হেনা লিটন (আ.লীগ বিদ্রোহী), মো. নূর হোসেন (আ.লীগ বিদ্রোহী)  ও বেনজির আহমেদ তালুকদার (আ.লীগ বিদ্রোহী)  হিসাবে নির্বাচন করছেন। এই ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হতে পারে আলা উদ্দিন শাহ, আলী আমজাদ, নূর হোসেনের মধ্যে।
পাইকুরাটি ইউনিয়নে মো. ফেরদৌসুর রহমান (আ.লীগ), মাহবুব মোর্শেদ খোকন (বিএনপি), মোজাম্মেল হক ইকবাল (আ.লীগ বিদ্রোহী), মো. রেহান উদ্দিন (আ.লীগ বিদ্রোহী), এসএম সুজিত (আ.লীগ বিদ্রোহী), শরিফুল ইসলাম (বিএনপি বিদ্রোহী) ও মতীন্দ্র চন্দ্র তালুকদার (আ.লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী। এই ইউনিয়নে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও বিএনপির প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হওয়ার জোর সম্ভবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
জয়শ্রী ইউনিয়নে সঞ্জয় রায় চৌধুরী (আ.লীগ), ইকবাল হোসেন (বিএনপি), জাহাঙ্গীর হোসেন (আ.লীগ বিদ্রোহী) ও মো. ওয়ালিউল্লাহ ওলি (জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম)। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বী আসতে পারবে না জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা।
সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নে ফরহাদ আহমেদ (আ.লীগ), আ. রহিম (বিএনপি), মুহিত লাল তালুকদার (আ.লীগ বিদ্রোহী) ও মাও. সাজিদুল বারি শিপন (জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম)। এই ইউনিয়নেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আসতে পারবে না জমিয়তে উলামামে ইসলাম। প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে।
সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নে মো. মোকাররম হোসেন (আ.লীগ), নুরুজ্জামান (বিএনপি), আমানুর রেজা (আ.লীগ বিদ্রোহী) ও মোকাব্বির হোসেন (আ.লীগ বিদ্রোহী। এখানে বিএনপির প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার সম্ভব কম বলে জানান গেছে। মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে।
মধ্যনগর ইউনিয়নে প্রবীর বিজয় তালুকদার  
(আ.লীগ), আবদুল কাইয়ূম মজনু (বিএনপি), পরিতোষ সরকার (আ.লীগ বিদ্রোহী), মো. আশরাফ উদ্দিন (স্বতন্ত্র)। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে প্রবীর বিজয় তালুকদার, আবদুল কাইয়ূম মজনু ও পরিতোষ সরকারের মধ্যে।
চামরদানি ইউনিয়নে আলমগীর খসরু (আ.লীগ), প্রভাকর তালুকদার পান্না, (আ.লীগ বিদ্রোহী) রাধিকা রঞ্জন (আ.লীগ বিদ্রোহী) ও জাকিরুল আজাদ মান্না (আ.লীগ বিদ্রোহী) সবুজ মিয়া (বিএনপি) ও মোশারফ হোসেন (বিএনপি বিদ্রোহী)। এই ইউনিয়নে মূল লড়াই হতে পারে আলমগীর খসরু, প্রভাকর তালুকদার পান্না, জাকিরুল আজাদ মান্না ও সবুজ মিয়ার মধ্যে।
বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নে আ. ছাত্তার (আ.লীগ), বিল্লাল হোসেন (বিএনপি) ও নূর নবী (বিএনপি বিদ্রোহী)। এই ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে আ.লীগ ও বিএনপির প্রার্থীর মধ্যে।  
বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নে আজিম মাহমুদ (আ.লীগ), আবুল কাশেম (বিএনপি), সবুজ মিয়া, মাহফুজুর রহমান, মো. ছেনুয়ার হোসেন, নুরুজ্জামান সিদ্দিকী, সাইদুর রহমান (আ.লীগ বিদ্রোহী) ও আকরাম হোসেন (আ.লীগ বিদ্রোহী)। এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন আজিম মাহমুদ, আবুল কাশেম, সাইদুর রহমান।

  • [১]