- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

৮০ ভাগই ফিরল খালি হাতে!- ছাতকে ওএমএস’র চাল নিতে দীর্ঘ লাইন

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে প্রতিদিনই ওএমএস’র ডিলারের দোকানের সামনে নারী-পুরুষ ও অপেক্ষাকৃত কম বয়সী শিশুদের দীর্ঘ লাইনে চাল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। কিন্তু চাল নিতে আসা এসব নারী-পুরুষ ও শিশুদের প্রায় শতকরা ৮০ ভাগকেই ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। প্রায়ই ওএমএস’র নিতে আসা সুবিধাভোগি মানুষ ও ডিলারদের মধ্যে প্রায়ই    
বাক-বিতন্ডা হাতিহাতির ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। এ নিয়ে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে চরম অসন্তোষ। শহরে ৩টি ডিলারের মাধ্যমে খোলাবাজারে ওএমএস’র চাল বিক্রি করা শুরু হয় গত ১০ এপ্রিল। শহরভিত্তিক কামাল মিয়া, বাবুল রায় ও ইকবাল হোসেনের ডিলারশীপের মাধ্যমে ১৫ টাকা কেজি দরে প্রত্যেককে সর্বোচ্চ ৫ কেজি করে বিক্রি করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিজনের কাছে চালের পাশাপাশি ১৭ টাকা দরে ৫কেজি করে আটাও বিক্রি করছেন ডিলাররা। প্রতিদিনই ওএসএস’র চাল ও আটা নিতে আসছে কয়েক হাজার অভাবি মানুষ।
সরকারী বিধি অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকেলে ৫টা পর্যন্ত একজন ডিলার ১ মেট্রিক টন চাল ও ১ মে.টন আটা দু’শ জন মানুষের মধ্যে বিক্রি করা হয়। কিন্তু সকাল ১১ টার মধ্যেই নির্ধারিত পরিমাণ চাল ও আটা বিক্রি শেষ হয়ে যায়। ফলে বাকী সময় খোলা না রেখে দোকান বন্ধ করে দেন ডিলাররা। এতে করে চাল ও আটা না পাওয়া বঞ্চিত মানুষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হতে দেখা গেছে। চাহিদা অনুযায়ী ওএমএস’র চাল ও আটা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন ডিলাররা। চাল নিতে আসা মানুষের লাইন প্রতিদিনই দীর্ঘ হচ্ছে। এদিকে পৌর শহরে পাশাপাশি ৩টি ডিলারশীপ দেয়ায় পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের সিংহভাগ অভাবি মানুষ এ সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে না। এ ছাড়া উপজেলা ১৩টি ইউনিয়নের মানুষ ওএমএস’র চাল ও আটা পাওয়ার সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। শহরের পানহাটার ডিলার ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিন হাতে গোনা কয়েকজনকে ওএমএস’র চাল ও আটা দিয়ে বিক্রি বন্ধ করে দেয় বলে ভুক্তভোগি মানুষ জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে ডিলার ইকবাল হোসেনকে পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগিরা।      

  • [১]