দিরাইয়ে তুফানখালী বাঁধে ফাটল

দিরাই সংবাদদাতা
সামন্য বৃষ্টির পানির ধাক্কায় দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের বরাম হাওরের তুফানখালী বাঁধে ফাটল ধরেছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এই বাঁধটি।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাঁধের মাঝামাঝি অংশে ফাটল ধরেছে। নিচের দিকে মাটি দেবে গেছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকলে বাঁধটি আরও বেশি ঝঁুকিতে পরবে। ২০১৭ সালের অকাল বন্যায় প্রথমেই এই ক্লোজারটি ভেঙে প্লাবিত হয়েছিল বরাম হাওর।
রোববার সকালে তুফানখালী বাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট উত্তর পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী এসএম শহীদুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী, দিরাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম চৌধুরী, দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান মামুন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহন চৌধুরী, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আলী আহমদ প্রমুখ।
বাঁধ পার্শবর্তী এলাকার কৃষকরা বলেছেন, বাঁধে দুরমুজ করা হয় নি। এ কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই বাঁধ দেবে গেছে। হাওরের ফসল রক্ষার জন্য তুফানখালী ক্লোজারে দুইটি পিআইসিকে প্রায় ৪৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাঁধে ফাটল দেখা দেয়ার রোববার পিআইসির কোন লোকজনকে বাঁধে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার কৃষকরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড দিরাই এর দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ—সহকারী প্রকৌশলী এটিএম মোনায়েম হোসেন বলেন, দিরাই উপজেলার ৮ টি ঝুঁকিপূর্ণ কেস্নাজার রয়েছে। রোববার সকালে তুফানখালী বাঁধে ফাটল ধরে। উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে বাঁধে পাইলিং করা হচ্ছে।
দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান মামুন বললেন, কোন বাঁধে ঝঁুকি তৈরি হলে দ্রুত গতিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ (সোমবার) থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্কাউটদল ঝঁুকিপূর্ণ বাঁধে অবস্থান নেবে।