Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146
Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146
Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146
Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php:146) in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-includes/feed-rss2.php on line 8 প্রথম পাতা – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক
https://archive.sunamganjerkhobor.com
Sun, 25 Jun 2023 19:03:52 +0000en-US
hourly
1 https://wordpress.org/?v=6.0.14ইউরোপ-জাপান-চীনের মতো হবে বাংলাদেশ- পরিকল্পনামন্ত্রী
https://archive.sunamganjerkhobor.com/%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87/
Sun, 25 Jun 2023 19:03:46 +0000http://sunamganjerkhobor.com/?p=165859শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর অফিস পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ কখনো শ্রীলংকা হবে না, হওয়ার আশঙ্কা নেই। এই নিয়ে কোনো ভয় নেই। বাংলাদেশ এখন ইউরোপ-জাপান-চীন হবে। গত একবছর ধরে কিছু লোক মানুষকে নানাভাবে উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে। এসব উস্কানি দিয়ে লাভ হবে না। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার আব্দুল মজিদ কলেজ মিলনায়তনে পরিকল্পনামন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে হতদরিদ্রের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদানকালে এসব কথা বলেন তিনি। ‘আন্তর্জাতিকভাবে দেশ একঘরে হয়ে গেছে’ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি’র এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এক ব্যক্তির কথায় দেশ একঘরে হয়ে যায় না। জাতিসংঘই জানে না বাংলাদেশ একঘরে হয়ে গেছে, রিজভি কীভাবে জানেন? আমরা বিশ্ব সমাজে আছি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হবে। এর আগেও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। তবে যদি কেউ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশৃঙ্খলা, মারামারি ও অগ্নিকা- করতে চায় তাদের প্রতিহত করা হবে। এলাকার মানুষ তাদের প্রতিহত করবে। বিদ্যুৎ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ সমস্যা অনেক কমে গেছে। আগের মতো দেশে লোডশেডিং নেই। ১০ লাখ টন কয়লা বন্দরে এসেছে। বন্দরে কয়লার জাহাজের ভিড় লেগে গেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছে। বিএনপি একটি ঘরেও বিদ্যুৎ দিতে পাওে নি, তাই তারা বিভ্রান্তি ছড়ায়। পেঁয়াজের দামবৃদ্ধি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছিল। আমরা সেটা কমিয়ে দিয়েছি। এখন কেউ যদি দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়াতে যায়, আমরা ব্যবস্থা নেব। প্রয়োজনে পণ্য আমদানী করে কম দামে বাজারে বিক্রি করবো। মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছে, টিউবওয়েল দিয়েছে, ল্যাট্রিন দিয়েছে, ঘর দিয়েছে। বিএনপি সরকারে থাকাকালে এগুলো কি দিতে পেরেছে? তাদেরকে আমি চ্যালেঞ্জ করছি পারলে প্রমাণ করুক। শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. আনোয়ার উজ্ জামানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনাত হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল হুদা মুকুট, সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিতাংশু শেখর ধর সিতু। এরপর শান্তিগঞ্জ উপজেলার ৪১৭ জন হতদরিদ্রের মাঝে ১২৭০ টাকা করে মোট ৫ লক্ষ টাকা তুলে দেন অতিথিরা। সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন চায় আ.লীগ এদিকে বিকালে জগন্নাথপুর উপজেলার আবদুস সামাদ আজাদ মিলনায়তনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান’র স্বেচ্ছাধীন তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এসময় তিনি বলেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করে। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় আমরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হোক আমরা চাই। তবে কেউ যদি নির্বাচনে অংশ না নেয় নির্বাচন আটকে থাকবে না। বিশৃঙ্খলা করে ক্ষমতায় যাওয়ার দিন শেষ। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি শিক্ষক সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (জগন্নাথপুর সার্কেল) শুভাশীষ ধর, পরিকল্পনামন্ত্রীর জ্যেষ্ঠপুত্র ব্যাংকার শাহাদাৎ মান্নান অভি, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনাত হোসাইন প্রমুখ। শেষে ৩৭১ জন হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে নগদ ৪ লাখ ৭৩ হাজার ২৫ টাকা বিতরণ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
]]>নিখোঁজের ৮দিন পর ভারতের অভ্যন্তরে মিললো তরুণের মরদেহ
https://archive.sunamganjerkhobor.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%81%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%ae%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85/
Sun, 25 Jun 2023 18:57:57 +0000http://sunamganjerkhobor.com/?p=165856মধ্যনগর প্রতিনিধি মধ্যনগরে নিখোঁজের ৮দিন পর বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ভারতের ৩ কিলোমিটার অভ্যন্তরে মেঘালয় রাজ্যের রংঢংগা এলাকা থেকে আলমগীর হোসেন (১৯) নামে এক তরুণের লাশের সন্ধান পাওয়া গেছে। রবিবার সকালে ওই নিখোঁজ তরুণের লাশের সন্ধান পায় তার পরিবারের স্বজনরা। নিহত ওই তরুণ উপজেলার রূপনগর গ্রামের মৃত. জামাল উদ্দিন মেম্বারের ছেলে। নিহতের ফুফাতো ভাই আমিরুল ইসলাম বলেন, আলমগীর নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। গত সোমবার (১৯ জুন) রাতে নিখোঁজের বড়ভাই জাহাঙ্গীর মিয়া বাদী হয়ে মধ্যনগর থানায় জিডি করেছেন। রবিবার সকালে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রংঢংগা এলাকার জঙ্গল থেকে একটি মরদেহ উদ্ধারের খবর আসে আমাদের কাছে। সেখান থেকে লাশের ছবি পাঠালে আমরা ঝুঝতে পারি এটি আলমগীর লাশ। জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই আলমগীর তার মায়ের সাথে নানার বাড়িতে থাকতো। স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে সে। পরে পড়াশোনা বাদ দিয়ে সংসারের হাল ধরে। গত ১৭ জুন বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ওই মধ্যনগর ইউনিয়নের বাকাতলা এলাকা থেকে নিখোঁজ হন আলমগীর। মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক বলেন, নিহতের পারিবার আমাদের জানিয়েছে- ভারতের ৩ কিলোমিটার অভ্যন্তরে আলমগীরের লাশের সন্ধান পাওয়া গেছে। লাশের ছবি দেখে তারা এটি আলমগীরের লাশ বলে শনাক্ত করেছেন।
]]>ইউএনও’র পরিচয়ে শিক্ষকদের সাথে প্রতারণা
https://archive.sunamganjerkhobor.com/%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%93%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/
Sun, 25 Jun 2023 18:49:34 +0000http://sunamganjerkhobor.com/?p=165854জামালগঞ্জ প্রতিনিধি জামালগঞ্জে ইউএনও পরিচয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৫শত’ টাকা করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সাচনাগ্রামের রুস্তম আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুল হক বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমার স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ইউপি সদস্য রবিন্দ্র কুমার দাস জানান সরকারি ভাবে স্কুলের জন্য ল্যাপটপ বরাদ্দ এসেছে। সে জন্য প্রত্যেক শিক্ষকদের ইউএনও এর সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। ইউপি সদস্যের বরাতে প্রধান শিক্ষক সেই নাম্বারে যোগাযোগ করলে ইউএনও পরিচয় দিয়ে অপর প্রান্ত থেকে বলা হয় আপনার বিদ্যালয়ের নামে একটি ল্যাপটপ বরাদ্দ হয়েছে। সেজন্য আপনাকে ০১৯৫৬৪৫৬১৮৬ এই নাম্বারে বিকাশে ৭ হাজার ৫শত টাকা পাঠাতে হবে। কথা অনুযায়ী সাচনা রুস্তম আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৫শত টাকা প্রতারকের দেওয়া বিকাশ নাম্বারে পাঠান এবং ৪ হাজার টাকা সকালে পাঠানোর জন্য বলেন। একই ভাবে কালীবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিতা রানী তালুকদার কেও বিকাশ নাম্বার দিয়ে একই ভাবে টাকা পাঠানোর জন্য বলা হয়। এছাড়াও জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন ও খন্দকার মুজিবুর রহমানকে একই ভাবে ল্যাপটপের কথা বলে তাদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে টাকা পাঠানোর জন্য বলা হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারেন তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। এ ব্যপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) গোলাম রাব্বানী জাহান বলেন, অনেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাকে এ ব্যাপারে জানিয়েছেন। তাদেরকে এসব ভুয়া বলে সতর্ক করে দিয়েছি। এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, কয়েকজন এ বিষয়ে আমাকে জানিয়েছেন। আমি তাদেরকে থানায় সাধারণ ডায়রি করতে বলেছি। প্রতারক চক্রের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মো. আব্দুন নাসের বলেন, এ ব্যপারে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
]]>কুরবানির জন্য প্রস্তুত ৬০ হাজারের বেশি পশু
https://archive.sunamganjerkhobor.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a4-%e0%a7%ac/
Sun, 25 Jun 2023 18:47:48 +0000http://sunamganjerkhobor.com/?p=165851সোহানুর রহমান সোহান আর মাত্র কয়েকদিন। আগামী ২৯ জুন মুসলিম ধর্মের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কুরবানির ঈদ পালন করা হবে। ঈদের দিন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য পশু কুরবানি দেয়া হবে। সামর্থ্য অনুযায়ী সবচেয়ে বড় এবং সুন্দর পশু কেনার প্রতিযোগিতা চলছে গরুর হাটগুলোতে। তাই কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে জেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে ৫৮ হাজার ৪১৩টি গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া। এসব গরু ছাগলের স্বাস্থ্যসেবা দিতে পশুর হাটগুলোতে ১৭টি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করছে বলে জানান জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা। পাশাপাশি জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার নেতৃত্বে জেলা অফিসে থাকবে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। যেখান থেকে সেবা নিতে পারবেন কুরবানির পশুর ক্রেতা ও বিক্রেতারা। জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের দেয়া তথ্যমতে, এ বছর জেলায় কুরবানিযোগ্য মোট গরুর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৩২৩টি, মহিষ আছে ১ হাজার ৩০১টি। এছাড়াও ৯ হাজার ৭৮৯টি ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এরমধ্যে মোট চাহিদা ৫৪ হাজার ৩৬২টি। চাহিদা পূরণ করে প্রায় ৪ হাজার পশু থাকবে উদ্বৃত্ত। জেলায় মোট পশু খামারির সংখ্যা ৩ হাজার ৫৮০ জন। সবচেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত আছে ছাতক ও সদর উপজেলায়। ছাতকে ১২ হাজার ২২০টি ও সদরে ৮ হাজার ২০২টি। এছাড়াও প্রত্যেকদিন জেলার বাইরে থেকে ট্রাকভর্তি গরু-ছাগল আসবে এবং যাবে বলেও জানানো হয়েছে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষের আর্থিক সক্ষমতা কমে যাওয়ায় এ বছর পশু কুরবানির সংখ্যা কমবে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। তারা জানান, আগে অনেকে কম মূল্যে কুরবানি দিতে পারতেন, কিন্তু এ বছর সেই টাকায় পশু পাবেন না। জেলার অস্থায়ী পশু হাটগুলো এখনো মানুষের পদাচরণা না হলেও গত কয়েকদিনের বৈরী আবহাওয়ার পর রোদ উঠায় জমে উঠেছে গ্রামীণ স্থায়ী হাটগুলো। পছন্দের গরু-ছাগল কিনতে ও দেখতে হাটে যাচ্ছেন মানুষ। গত বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম বেশি বলে জানিয়েছেন হাটে আসা মানুষ। বিশ্বম্ভপুরের কারেন্টের বাজার পশু হাটে গরু কিনতে আসা আকমল হোসেন অভি বলেন, জেলার সকল হাট সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা আছে। কুরবানি ছাড়াই আমি পশুর হাটে ঘুরি। গরুর হাটে গরু কেনা এবং দেখা আমার শখ ও নেশা। এ বছর গরুর দাম অনেক বেশি। বিশেষ করে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি হওয়ায় দামও বেশি। গত বছরের ৬০ হাজার টাকার গরু এবছর ৯০ হাজার টাকা। অনিক আহমেদ বলেন, মধ্যবিত্তরা একটি মাঝারি বা ছোট সাইজের গরু খোঁজে। কিন্তু এই সাইজের গরুগুলোরই দাম সব থেকে বেশি। যার কারণে গতবার যারা ছোট বা মাঝারি সাইজের পশু কুরবানি দিয়েছেন এবছর মনে হয় না সেই টাকায় তারা কুরবানি দিতে পারবেন না। সংসার চালানোই কষ্ট যেখানে সেখানে বাড়তি টাকা দিয়ে গরু কিভাবে কিনবে। জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, এ বছর কুরবানির জন্য সুনামগঞ্জে প্রায় ৫৮ হাজারের অধিক পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এদের স্বাস্থ্য সহ অন্যান্য সেবা দিতে সার্বক্ষণিকভাবে তত্বাবধানে রাখা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে ১৭টি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিমকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়াও জেলা থেকে আমার নেতৃত্বে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। আমাদের পশু ঘাটতি নেই।
]]>পশুর হাট/নিরাপত্তায় পুলিশ ও সিসি ক্যামেরা
https://archive.sunamganjerkhobor.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf/
Sun, 25 Jun 2023 18:45:52 +0000http://sunamganjerkhobor.com/?p=165848স্টাফ রিপোর্টার আগামী ২৯ জুন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জেলার ৭০টি জায়গায় বসেছে স্থায়ী অস্থায়ী পশুর হাট। এরমধ্যে স্থায়ী পশুর হাট ২২টি এবং অস্থায়ী ৪৮টি। নির্ধারিত এসব পশুর হাটে বিক্রি হবে কুরবানির পশু। পৌর শহরের জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের অস্থায়ী পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তার স্বার্থে স্থাপন করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা ও কন্ট্রোল রুম। এদিকে পৌর শহরের বাইরের সকল হাটে পুলিশের কন্ট্রোল রুম এবং পুলিশ ফোর্স মোতায়েন থাকবে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ থাকবে পশুর হাটে। হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সুপার মো এহসান শাহ বলেন, ঈদে সুনামগঞ্জ জেলায় এ বছর ৭০ টি পশুর হাট বসেছে। পৌর শহরের হাটে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য প্রত্যেকটি হাটে আমরা পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। ইজারাদারদের সহযোগিতায় একটি করে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছি। কারো কিছু হারিয়ে গেলে বা জরুরী কিছু ঘটলে যেন সেখান থেকে সহযোগিতা পেতে পারে। এছাড়াও পশুর হাটে সাদা পোশাকে পুলিশ থাকবে। হাটের নিরাপত্তায় আমাদের সকল ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ সুনামগঞ্জ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জেলার ২২ টি স্থায়ী পশুর হাটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৬ টি। এছাড়াও সুনামগঞ্জ সদরে ৩ টি, বিশ্বম্ভপুরে ২ টি, শান্তিগঞ্জে ২ টি, জগন্নাথপুরে ২ টি, ছাতক ২ টি, ধর্মপাশা ২টি এবং দিরাই, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর ১ টি করে স্থায়ী হাট বসবে। একটিও স্থায়ী হাট নেই শাল্লায়। ৪৮ টি অস্থায়ী পশুর হাটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৬ টি পশুর হাট বসেছে প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুরে। ছাতকে ১০ টি, তাহিরপুর ৬ টি, বিশ্বম্ভপুরে ৬ টি,সুনামগঞ্জ সদরে ৫টি, শান্তিগঞ্জ ২টি, দোয়ারাবাজার ২ টি, দিরাই ১ টি। প্রত্যেকটি অনুমোদিত পশুর হাটে ৭ শতাংশ হাসিল নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। তবে এই হারে হাসিল নিতে চাইলে হাটে ক্রেতা আসবেনা বলে জানান হাট ইজারাদাররা। সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদার মুজিবুর রহমান বলেন, অনেক বছর ধরে হাট ইজারার সাথে যুক্ত আছি। প্রত্যেকবছর সরকার হাসিলের পরিমাণ নির্ধারণ ক্ক্রে দেয় ৭ শতাংশ। কিন্তু আমরা এতো টাকা নিতে পারি না। আমরা ৪ টাকা বা ৫ টাকা নেই। ৭ শতাংশ হাসিল দিলে কোনো ক্রেতা হাটে আসবেনা। হাসিলের পরিমান না কমালে পশুর হাটে যে সাইনবোর্ড দেয়া হয় সেটা না থাকাই ভালো। ৭ শতাংশ হাসিল দেখলে বাহির থেকেই ক্রেতা বিক্রেতা চলে যাবে। শান্তিগঞ্জ উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট পাথারিয়া বাজারের ইজারাদার আব্দুল মমিন বলেন, বাজারের অবস্থা এই বছর খারাপ। মানুষ ঠিকঠাক মতো ধান পাওয়ার পরও ক্রেতা কম। এমনিতেই গরুর দাম বৃদ্ধি তার উপর যদি সরকার নির্ধারিত হারে টাকা নেই তাহলে মানুষ হাট থেকে গরু কিনবে না। ক্রেতা যেন গরু কিনতে আসে সেই উদ্দেশ্যে টাকা কমিয়ে ২ বা ৩ টাকা হারে নিচ্ছি।
]]>শাল্লায় ভিজিএফ’র চালসহ ইউপি সদস্য আটক
https://archive.sunamganjerkhobor.com/%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%ab%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a6%87/
Sun, 25 Jun 2023 17:51:55 +0000http://sunamganjerkhobor.com/?p=165846স্টাফ রিপোর্টার সুনামগঞ্জের শাল্লায় ভিজিএফ’র চালসহ আব্দুর রাজ্জাক নামের এক ইউপি সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। পরে শাল্লা আদালতের বিচারক ওই ইউপি সদস্যকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটগাঁও ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক ভিজিএফ’র চাল বিতরণ না করে তার নিজের ঘরে রেখেছেন বলে খবর পায় পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে আটটায় ৩৩৫ কেজি চালসহ পুলিশ ওই ইউপি সদস্যকে আটক করে। শেষে উপজেলা একাডেমী সুপারভাইজার কালীপদ রায় বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে সরকারি চাল আত্মসাতের চেষ্টার মামলা দায়ের করেন। শাল্লা থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাককে রবিবার আদালতে সোপর্দ করা হলে, আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
]]>ছাতকে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক
https://archive.sunamganjerkhobor.com/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98-3/
Sun, 25 Jun 2023 16:09:39 +0000http://sunamganjerkhobor.com/?p=165807ছাতক প্রতিনিধি ছাতকে সরকারি সড়ক সংস্কার নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে। গুরুতর আহত অন্তত ১৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। রবিবার সকালে উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের কালারুকা ও ছাতক সদর ইউনিয়নের কাজিহাটা-নোয়াগাঁও গ্রামবাসীর মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, কালারুকা ও ছাতক সদর ইউনিয়নের সংযোগকারী সড়ক হলো কাজিহাটা-নোয়াগাঁও সড়ক। সম্প্রতি অতিবৃষ্টিতে সড়কের বিভিন্ন স্থান ভেঙে যাওয়ায় যান চলাচলে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। দুর্ভোগ লাঘব করতে কাজিহাটা-নোয়াগাঁও গ্রামবাসী তাদের নিজ অর্থায়নে সড়ক সংস্কার কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। রবিবার সকালে কাজিহাটা-নোয়াগাঁও গ্রামের অদুদ মিয়া, আবুল মিয়া, আলিম মিয়া ও সাদক আলী সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করলে কালারুকা গ্রামের সুহেল মিয়াসহ লোকজন এতে বাধা দেয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও উত্তপ্ত বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে তাদের পক্ষ নিয়ে দুই গ্রামের মানুষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টাবাপী সংঘর্ষে উভয় গ্রামের অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। গুরুতর আহত ফারুক মিয়া, সাদিক মিয়া, মনোয়ার হোসেন, অদুদ মিয়া, খছরু মিয়া, কবির মিযা, ইজ্জাদ আলী, অখিল দাস, সাহেদ মিয়া, সাদিকুর রহমান সহ ১৫ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও আকিল মিয়া, সহিল উদ্দিন, আলতাব আলী, সুয়েব আহমদ, ইব্রাহিম আলী, রুহেল মিয়া, রিপন মিয়া, মুজিবুর রহমান, সাগর, ইসরাইল, কালা মিয়া, সুহেল আহমদ, হাবিবুর রহমান, তারেক আহমদ, আব্দুস শহিদ, আকিকুর রহমান, আজিজুর রহমান, সানুর আলী, আমিনুর রহমান, ময়না মিয়া, আব্দুল হক, ছালিক মিয়া, কফিল উদ্দিন, জালাল উদ্দিন, মাহমুদ আলী, আব্দুল্লাহ, নানু মিয়া, আলী আহমদ, দিলোয়ার হোসেন, সিরাজ উদ্দিন, শাহাদাত, মিছবাহ, সেলিম আহমদ, জইন উদ্দিন, মুহিবুর রহমান, রাজীব আহমদ, রমিজ আলী, আলিম মিয়া, আয়াজ আলী, জুবায়ের, ফজর আলী, মাছুম আহমদ, আবুল হোসেন সহ অন্যান্য আহতদের ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মাইনুল জাকির জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
]]>জমে উঠেছে ঈদের বাজার
https://archive.sunamganjerkhobor.com/%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%a0%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0/
Sun, 25 Jun 2023 16:08:34 +0000http://sunamganjerkhobor.com/?p=165804স্টাফ রিপোর্টার টানা প্রায় ১০ দিন বৃষ্টি থাকায় আশানুরুপ ক্রেতা না পেয়ে হতাশায় সময় কাটাছিলেন ব্যবসায়ীরা। গত তিন দিন ধরে আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে ব্যবসায়ীদের। ঈদকে সামনে রেখে রঙ বেরঙের পোশাকের সমাহারে দোকান সাজিয়ে তুলেছেন ব্যবসায়ীরা। পবিত্র ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র ৩ দিন। এরইমধ্যে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়ে জমে উঠেছে বিক্রিও, বলছেন ব্যবসায়ীরা। রবিবার সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমল ঘুরে দেখা গেছে, মার্কেট ও শপিংমলে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। বিক্রেতারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা বলছেন, ঈদ উপলক্ষ্যে প্রতিবছরই বাজারে নতুন ডিজাইনের পোশাক আসে এবং এ সময় বেচাবিক্রিও বেশি হয়। আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে নতুন ডিজাইনের মালামাল সাজিয়ে রেখেছি। কিন্তু জামা-কাপড়, জুতাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণেও এ বছর ক্রেতা কিছুটা কম। শহরের মধ্যবাজার এলাকায় এহছান মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী সন্তোষ চন্দ্র দাশ বলেন, ঈদের আর মাত্র ৪ দিন বাকি। গত তিন দিন ধরে ভালোই বিক্রি হচ্ছে। এর আগে বৃষ্টির কারণে প্রায় দশদিন বিক্রি কম হয়েছে। ক্রেতারা আসতে পারেননি। তিনি বলেন, বিকেলের দিকে ক্রেতার সংখ্যা বেশী হয়। তিনি বলেন, এমব্রয়ডারি থ্রি পিস ৫০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা দামের আছে। টাঙ্গাইল শাড়ি ৫০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা, জামদানী ১০০০ টাকা ১২০০ টাকা, কাতান ১৫০০ টাকা থেকে ১০০০০ টাকা দামের রয়েছে। একই মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী রতন দাশ বলেন, বর্তমানে বাজারে সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। শাড়ি, থ্রি-পিস, ছিট কাপড় সব কিছুরই দাম বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর বিক্রি কম হচ্ছে ঠিকই কিন্তু একেবারে যে বিক্রি হচ্ছে না তা কিন্তু নয়। আমরার হাতে ৩ দিন আছে। দিন ভালো থাকলে ভালো বিক্রি হবে। মা তারা বস্ত্রালয়ের নারী উদ্যোক্তা নিশা পাল বলেন, আমার দোকানে মহিলাদের থ্রি পিস, হাত মোজা, বোরকা সহ বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক আছে। তবে মেঘ বৃষ্টির জন্য বেচাকেনা একদম কম ছিল। আজকে দু একজন করে ক্রেতা আসছেন, আশা করছি ঈদের আগে দুই তিন দিন ভালো বিক্রি হবে। পৌর সুপার মার্কেটের সূচিত্রা গার্মেন্টসে গিয়ে দেখা যায় ক্রেতাদের ভিড়। গার্মেন্টসের মালিক বিমল চন্দ্র বর্মন বলেন, আমরা ঈদকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের নতুন পোশাক এনেছি। যেমন- নাইরা ১৫০০ টাকা থেকে ৬০০০ টাকা, গারারা ২০০০ থেকে ৫০০০ টাকা, সারারা ২০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা দামের আছে। এছাড়াও ছোটমনিদের জন্য রয়েছে প্লাজু, স্কার্ট, পরি ড্রেস, কামিজ। এগুলো ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত দামের রয়েছে। গত শনিবার এবং রবিবার বিক্রি ভালোই হয়েছে। আগামী দুই একদিন আশা করি বিক্রি আরও বেশি হবে। কাপড় ও জুতা কিনতে আসা ক্রেতা মো. মহসিন বলেন, এসেছিলাম পরিবারের সদস্যদের জন্য ঈদের পোশাক এবং জুতা কিনতে। এ বছর যা দাম তাতে করে শুধু বাচ্চাদের জন্যই কিনবো। কেননা, নিজেরা নতুন পোশাক না কিনেও ঈদ করতে পারব, কিন্তু বাচ্চারা বুঝবে না। আমরা নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ। আয় বুঝে ব্যয় করা লাগব। এমনিতেই গত বছর বাড়িঘরে রাখা সব কিছু বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই এ বছর ভেবেচিন্তে কেনাকাটা করব। সাফেলা গ্রামের বাসিন্দা হুসাইন কবির এসেছেন ঈদের পোষাক সহ নিত্যপণ্যের বাজার করতে। তিনি বলেন, আমরা তিন ভাই। তিনজনের জন্য জিন্স প্যান্ট এবং শার্ট কিনেছি। মোট ৩৫০০ টাকার পোশাক কিনেছি। দামটা অন্য বছরের তুলনায় একটু বেশি দিতে হয়েছে। ওয়েজখালি এলাকার একজন নারী উদ্যোক্তা শেফালী বেগম। তিনি বলেন, আমি সেলাইয়ের কাজ করি। বাসায় কিছু থান কাপড় রেখেছি। ঈদে সেলাই এবং কাপড় বিক্রি বেড়েছে। আজকে বাজারে এসেছি আরও কিছু থান কাপড় সহ বিভিন্ন কালারের সুতা, বোতাম কিনতে। এই ঈদে ভাবছিলাম তেমন ব্যবসা হবে না। কিন্তু দিনটা ভালোই যাচ্ছে। ব্যবসাও হচ্ছে। বাকি দিনগুলো ভালো গেলে ইনশাআল্লাহ আমার ব্যবসা এই বছর ভালোই হবে। এদিকে ফুটপাতেও ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। শহরের কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় পুরাতন কাপড়ের দোকান সহ আলফাত স্কয়ারের ফুটপাতে কাপড় সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রেতারা। ক্রেতাদের ভিড়ও রয়েছে। হাজী পাড়া এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী সেবুল মিয়া বলেন, গার্মেন্টস এ গিয়ে এই শার্টটি কিনতে ৭শ’/৮শ’ টাকা লাগবে। ফুটপাতে কিনেছি মাত্র ১৫০ টাকা দিয়ে। কাপড়টাও ভালো এবং দামটাও আছে নাগালের মধ্যে। জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ঈদকে ঘিরে কাপড় সহ প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সিন্ডিকেট করে বাড়ালে আমরা ব্যবস্থা নেব। আমরা বাজার মনিটরিং করছি।
]]>হাওরাঞ্চলের শিক্ষা/ বর্ষাকালে স্কুলে যায় না হাজারো শিশু
https://archive.sunamganjerkhobor.com/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7/
Sun, 25 Jun 2023 16:01:37 +0000http://sunamganjerkhobor.com/?p=165793আমিনুল ইসলাম, তাহিরপুর বর্ষাকালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া থেকে বঞ্চিত তাহিরপুরে হাওর পারের অর্ধশতাধিক গ্রামের হাজারো শিশু। বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় বিদ্যালয়ে যেতে না পেরে অনেক শিশু শিশু শ্রমে জড়িয়ে পড়ছে আবার অনেক শিশু জড়িয়ে পড়ছে গৃহস্থালি কাজে। ফলে এ উপজেলায় প্রতি বছর প্রাথমিক বিদ্যালয় গমনেচ্ছু অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষার স্তরেই ঝরে পড়ছে। উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে ২৪৯টি গ্রাম রয়েছে। এরমধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ১৩৪টি গ্রামে। অবশিষ্ট ১১৫ টি গ্রামে কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। ৭ ইউনিয়নের মধ্যে তাহিরপুর সদর, বাদাঘাট, বালিজুরী ও উত্তর বড়দল ইউনিয়নে সড়ক যোগাযোগ কিছুটা ভাল থাকায় এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে গিয়ে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে। অপরদিকে শ্রীপুর দক্ষিণ, শ্রীপুর উত্তরের কিয়দংশ ও দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন হাওর বেষ্টিত হওয়ায় বর্ষাকালে এক গ্রাম থেকে অন্যগ্রামে পায়ে হেঁটে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে বর্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ৬ মাস যে সমস্ত গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই সে সকল গ্রামের শিশুরা বিদ্যালয় বিমুখ হয়ে পড়ে। হেমন্ত মৌসুমে শিশুর পিতা মাতাদের সাথে কৃষি কাজে জড়িয়ে পড়ে। যে কারণে অনেক শিশু আর বিদ্যালয়ে আসে না লেখাপড়া শেখার জন্য। সম্প্রতি সরজমিনে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নে মন্দিয়াতা নতুন হাটি, মুজরাই, পানিয়াখালি সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয় গমন উপযোগী শিশুরা দল বেঁধে খেলা করছে। একই অবস্থা একই ইউনিয়নে বেতাগড়া, জামালপুর, তেলিগাঁও পশ্চিম পাড়া, কৃষ্ণতলা, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নে গোপালপুর, রাজধরপুর, উজ্জ্বলপুর, জগদীসপুর, সাহসপুর নিশ্চিন্তপুর, লতিবপুর, দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নে গোবিন্দপুর, টুকেরগাঁও সহ অর্ধশতাধিক গ্রামে। দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের রাজধরপুর গ্রামের ছাত্র অভিভাবক হাদিসনূর বলেন, নিজ গ্রামে স্কুল না থাকায় ও যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় অন্য কোন গ্রামের বিদ্যালয়ে শিশুদের পাঠানো হয় না। শাহগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুবাশ্বির আলম বলেন, বর্ষাকালে শুধুমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমে যায়। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন খন্দকার লিটন বলেন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলো থেকে শিশু কিশোরদের বিদ্যালয়মুখী করার জন্য বিদ্যালয়গুলোতে বর্ষাকালে নৌকার ব্যবস্থা করার চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। হাওরাঞ্চলে কাজ করে উন্নয়ন সংস্থা সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স সার্ভিস (সিএনআরএস) এর তাহিরপুর উপজেলা সমন্বয়কারী ইয়াহিয়া সাজ্জাদ বলেন, ইমার্জেন্সী রেসপন্ড করার জন্য আমরা কিছু প্রস্তাব উপরে পাঠিয়েছি। সিন্ধান্ত হলে আমরা শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য নৌকা তৈরি করে দেবো। বিগত বছরে আমরা জনতা উচ্চ বিদ্যালয় ও মোয়াজ্জেমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ইঞ্জিনচালিত নৌকা তৈরি করে দিয়েছি। এতে করে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হয়েছে। তাহিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল খায়ের বলেন, বিদ্যালয়ে স্লিপের বরাদ্দ থেকে নৌকা তৈরি করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গ্রাম থেকে শিশু কিশোরদের বিদ্যালয়মুখী করা যায়। আমি অনেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বলেছি স্লিপের টাকা থেকে নৌকা বাননোর জন্য। প্রতিটি গ্রামে একটি করে বিদ্যালয় স্থাপন হলে হাওরাঞ্চলে এ সমস্যা দূর হয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশের প্রতিটি গ্রামে একটি করে বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন। ইতোমধ্যেই প্রতিটি উপজেলাতে বিদ্যালয়বিহীন গ্রামের চাহিদাপত্র চাওয়া হয়েছে।
]]>দুস্থদের চালে জনপ্রতিনিধির থাবা!
https://archive.sunamganjerkhobor.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a7/
Sun, 25 Jun 2023 03:12:39 +0000http://sunamganjerkhobor.com/?p=165771বিশেষ প্রতিনিধি পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে দুস্থ ও অতিদরিদ্রের জন্য সুনামগঞ্জের ১২ উপজেলায় প্রায় ছয় কোটি ৬০ লাখ টাকার চাল বিতরণ করবে সরকার। শুক্রবার থেকে এই চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। গরিবের এই চালেও ধনীর ভাগ নেবার চেষ্টা আছে বলেও গুঞ্জন রয়েছে অনেক ইউনিয়নে। দোয়ারাবাজারের নরসিংহপুর ইউনিয়নে দুস্থের চাল আত্মসাতের চেষ্টা ঠেকিয়েছেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান। শুক্র ও শনিবার এ নিয়ে আলোচনা ছিল দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরে। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানালেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার নরসিংহপুর ইউনিয়নের দুই ইউপি সদস্য ফোন দিয়ে জানালেন, তাদের ইউনিয়নে ৯০০ বস্তা চাল এসেছে। তারা জানতে চেয়েছেন কত টন চাল দেওয়া হয়েছে এই ইউনিয়নে। আমি সঙ্গে সঙ্গে কাগজ দেখে তাদেরকে জানিয়ে দিলাম নরসিংহপুর ইউনিয়নে বরাদ্দ সাড়ে দশ টন চাল। তারা হিসাব করে জানালেন, চাল দেড় টন কম গেছে ইউনিয়নের গোদামে। আমি সঙ্গে সঙ্গে রাত সাড়ে ১২ টায় ওই ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ সচিবকে ফোন দেই, চাল কত টন রিসিভ করেছেন। উত্তরে তিনি বললেন, চাল চেয়ারম্যান সাহেব রিসিভ করেছেন, তিনি এই বিষয়ে জানেন না। তিনি জানান, পরদিন (শুক্রবার) সকাল নয়টায় গোদাম কর্মকর্তাকে ফোন দিয়ে জানতে চেয়েছিলেন নরসিংহপুর ইউনিয়নের বরাদ্দের দেড়টন চাল গেল কোথায়, ওখানে আজ শুক্রবার চাল বিলি হবে, অথচ এখনো দেড়টন চাল যায় নি। ১০ মিনিট পরে তিনি ফোন দিয়ে জানালেন, চেয়ারম্যান সাহেব (নরসিংহপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান) ৫০ বস্তা চাল গোদামে রেখে গেছেন। আজ নিয়ে যাবেন। শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও বিষয়টি জানানো হয়। একপর্যায়ে শুক্রবার সকাল ১০ টায় আরেক পিকআপে করে চাল পাঠানো হয় নরসিংহপুর ইউনিয়নে। ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানালেন, গেল ঈদের আগেও এই ইউনিয়নে কালো বাজারে বিক্রয় করা ৬৫ বস্তা ভিজিএফ’র চাল আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে দুস্থদের মধ্যে বিলি করা হয়েছিল। নরসিংহপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূর উদ্দিন আহমদ অভিযোগের জবাবে বললেন, এসব অভিযোগ সত্য নয়। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যানসহ আমার ইউনিয়নের তিনজন সদস্য এই মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়েছেন, ভিজিএফ’র চাল আমার এখানে তিনটি পিকআপে বৃহস্পতিবার ৯০০ বস্তা এসেছে। যাদেরকে পরিবহনের জন্য দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তারাই ভাড়া বেশি নেবার জন্য দুই দিনে চার পিকআপে চাল এনেছে। বৃহস্পতিবার তিন এবং শুক্রবার এক পিকআপে চাল এনেছে। পরে ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে ৩০ কেজির বস্তা তিনজন-তিনজন করে বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ মুর্শেদ মিশু বললেন, বৃহস্পতিবার রাত দুইটায় খবর পাই নরসিংহপুর ইউনিয়নে ভিজিএফ’র দেড়টন চাল নেওয়া হয় নি। পরে শুক্রবার সকালে চাল ওখানে গেছে এবং ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে চাল বিলি হয়েছে। এর আগের ঈদে একই ইউনিয়নে ৬৫ বস্তা চাল বাজার থেকে উদ্ধার করে আমি নিজেই দুস্থদের মধ্যে বিলি করেছিলাম। পরবর্তীতে এই বিষয়ে তদন্ত হয়। তদন্ত কমিটির দায়িত্বশীলরা রিপোর্ট দেন, উপকারভোগীরাই এই চাল বিক্রয় করেছিলেন। এজন্য কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় নি। শান্তিগঞ্জের একজন সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান (নাম জানাতে চান নি) জানালেন, দ্স্থুদের চাল কোন কোন ইউনিয়নে নির্ধারিত উপকারভোগীরা ১০ কেজির স্থলে কেজি দেড় কেজি কম পান। বিতরণের সময় হঠাৎ গিয়ে ওজন দিলেই সেটি ধরা পড়বে। সুনামগঞ্জে এবার ঈদ উপলক্ষে এক লাখ ৫১ হাজার ১৬৭ জনের মধ্যে সরকারের দেওয়া ১৫১১ টন ৬৭ কেজি চাল দুস্থদের মধ্যে বিলি করা হচ্ছে। এসব চাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ইতোমধ্যে উপজেলা উপজেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে তাহিরপুর উপজেলার সাত ইউনিয়নের ১৩ হাজার ৫২৪ জন ভিজিএফ কার্ডধারীকে ১৩৫ টন ২৪০ কেজি, শান্তিগঞ্জের আট ইউনিয়নে আট হাজার ৯১০ জন কার্ডধারীর মধ্যে ৮৯ টন ১০০ কেজি, জগন্নাথপুরের আট ইউনিয়নে ১১ হাজার ৮৬১ জনের জন্য ১১৮ টন ৬১০ কেজি, বিশ^ম্ভরপুরের পাঁচ ইউনিয়নের ছয় হাজার ৪২৬ জনের মধ্যে ৬৪ টন ২৬০ কেজি, সুনামগঞ্জ সদরের আট ইউনিয়নের ১০ হাজার ২০০ জনের জন্য ১০২ টন, ধর্মপাশা-মধ্যনগরের ১০ ইউনিয়নের নয় হাজার ৪৩৭ জনের জন্য ৯৪ টন ৩৭০ কেজি, দিরাইয়ের নয় ইউনিয়নের ১৯ হাজার ৩১২ জনের জন্য ১৯৩ টন ১২০ কেজি, শাল্লার চার ইউনিয়নের ২৩ হাজার ৩১৫ জনের জন্য ২৩৩ টন ১৫০ কেজি, ছাতকের ১৩ ইউনিয়নের ১৩ হাজার ৫৬০ জনের জন্য ১৩৫ টন ৬০০ কেজি, দোয়ারাবাজারের নয় ইউনিয়নের আট হাজার ৪৬৬ জনের জন্য ৮৪ টন ৬৬০ কেজি এবং জামালগঞ্জের ছয় ইউনিয়নের ১০ হাজার ৭৫২ জনের জন্য ১০৭ টন ৫২০ কেজি চাল বিতরণের জন্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সুনামগঞ্জ পৌরসভার চার হাজার ছয়শ ২১ জনের জন্য ৪৬ টন ২২০ কেজি, ছাতক পৌরসভার চার হাজার ৬২১ জনের জন্য ৪৬ টন ২১০ কেজি, জগন্নাথপুর পৌরসভার তিন হাজার ৮১ জনের জন্য ৩০ টন ৮১০ কেজি এবং দিরাই পৌরসভার তিন হাজার ৮১ জনের জন্য ৩০ টন ৮১০ কেজি চাল ইতিমধ্যে ঈদ-উল- আযহা উপলক্ষে দুস্থদের মধ্যে বিতরণের জন্য দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিতরণও শুরু হয়েছে চাল। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বললেন, ঈদ-উল- আযহা উপলক্ষে দুঃস্থ ও অতিদরিদ্রের মধ্যে ভিজিএফ’এর চাল বিতরণে অনিয়মের কোন লিখিত অভিযোগ এখনো পাওয়া যায় নি।
]]>