কৃষকদের জন্যই ধান ক্রয়ের পরিমান বাড়ানো হয়েছে-শামীমা শাহরিয়ার

স্টাফ রিপোর্টার
সরকারিভাবে কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান ক্রয়ের জন্য কৃষক বাছাইয়ে জামালগঞ্জে কৃষকদের কৃষি কার্ড দিয়ে উন্মুক্ত লটারি দেয়া হয়েছে। লটারিতে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণির কৃষকরা অংশগ্রহণ করেন।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে লটারির উদ্বোধন করেন সুনামগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীমা শাহরিয়ার।

লটারির উদ্বোধনকালে এমপি শামীমা শাহরিয়ার বলেন,‘ সুনামগঞ্জে এই বছর বোরো ধানের ভাল ফলন হয়েছে। ধান পেয়ে কৃষকরা খুশি। কৃষকরা যাতে সরকারি খাদ্য গোদামে ধান বিক্রির সুযোগ পায় তাই নতুন করে আরও ছয় হাজার ৭৯৮ মে. টন ধানের পরিমান বাড়ানো হয়েছে এবং প্রকৃত কৃষকদের ধান বিক্রির সুযোগ নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচিত করা হয়েছে।’

লটারির মাধ্যমে উপজেলার ৯ হাজার ১২৭ হাজার কৃষকের কৃষি কার্ডের বিপরীতে তিন হাজার ৭৭১ জন কৃষক নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত প্রত্যেক কৃষক সরকারি গোদামে ২৬ টাকা কেজি দরে এক মে. টন বোরো ধান বিক্রি করার সুযোগ পাবেন। জামালগঞ্জে কৃষকদের কাছ থেকে মোট ৩,৭৭১ মে.টন বোরো ধান ক্রয় করা হবে।

উন্মুক্ত লটারি দেওয়ার আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিৎ দেব’র সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীনা রানী তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আজিজুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম জিলানী আফিন্দী রাজু, থানার অফিসার ইনচার্য সাইফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক এম নবী হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আশরাফুজ্জামান, জেলা কৃষক লীগের সদস্য সচিব বিন্দু তালুকদার, ফেনারবাঁক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী খোকন, উপজেলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ওয়ালী উল্লাহ সরকার, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান তারেক, জামালগঞ্জ উপজেলা কৃষক লীগ নেতা সামছুল আলম, আলী আমজদ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, চলতি বোরো মৌসুমে সুনামগঞ্জ জেলায় সম্ভাব্য ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১২ লক্ষ ৩০ হাজার ৯৩৪ মেট্রিক টন। সুনামগঞ্জের কৃষকদের কাছ থেকে ৩২ হাজার ৬৬৪ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করবে সরকার। প্রতি কেজি ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ টাকা। একজন কৃষক সর্বোচ্চ তিন মে. টন ধান বিক্রয় করার সুযোগ পাবেন। আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ধান সংগ্রহ চলবে।