স্টাফ রিপোর্টার
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলায় ১৪ জনকে হোম কেয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। ছাড়পত্র দেওয়া হয় ৫১ জনকে। বর্তমানে কেয়ারেন্টাইনে আছেন ২৮১ জন। ৪৬ জনকে আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে। মোট আইসোলেসনে গেছেন ৭৫৭ জন। করোনা সন্দেহে এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৬৯৮০ জনের। ৬৬৮৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৭৫৭ জনের শরীরে। নমুনার রিপের্টের অপেক্ষায় আছেন ২৯৭ জন।
এই পর্যন্ত জেলায় সবচেয়ে বেশী ২০১ জন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ছাতক উপজেলায়। এছাড়াও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৮৪ জন, দিরাই উপজেলায় ২১ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ৬১ জন, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৬২ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৬৬ জন, শাল্লা উপজেলায় ৩০ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ৬১ জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ২৫ জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ১৮ জন, তাহিরপুর উপজেলায় ২৮ জন শনাক্ত হয়েছেন।
কোভিড ১৯ পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- অদ্যাবদি মোট কোয়ারেন্টিনে এসেছেন ৫৮৮৬ জন। পাশাপাশি কোয়ারেন্টিন সম্পন্ন করেছেন ৫৬০৫ জন। গত ১ মার্চ থেকে বিদেশ থেকে জেলায় এসেছেন ২৬২৯ জন। সুস্থ হয়েছেন মোট ১৬১ জন।
উল্লেখ্য, করোনা চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ১০০টি বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। ছাতক, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, জগন্নাথপুর, ধর্মপাশা, দিরাই, শাল্লা উপজেলায় ৩টি করে বেড এবং সুনামগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও আনিছা হেলথ কেয়ারে ২টি করে বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলায় করোনা চিকিৎসার জন্য মোট ১৩১ টি বেড রয়েছে।


