জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুর উপজেলার নি¤œাঞ্চলে ফের বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। গত দুই দিনের অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের ভুরাখালি, দাসনাগাঁও হরিণাকান্দি, গাদিয়ালা, বেরী, পৌর এলাকার যাত্রাপাশা, শেরপুর, পশ্চিম ভবানীপুর, কলকলিয়া ইউনিয়নের শ্রীধরপাশা, জগদ্বীশপুর, কামারখাল, গলাখাই, নোয়াগাঁও, কান্দারগাঁও, পাড়ারগাঁও, নাদামপুর, হিজলা, মজিদপুর, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রানীনগর, বাগময়না রৌয়াইল গ্রামসহ কমপক্ষে ৪০টি গ্রামের লোকজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এরমধ্যে বন্যায় গৃহহীন হয়ে পড়া শতাধিক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে এবং আত্মীয় স্বজনদের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছেন। বন্যায় তলিয়ে গেছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট।
রবিবার কলকলিয়া ইউনিয়নে বন্যাদুর্গত দুইশতাধিক পরিবারের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে চাল বিতরণ করা হয়েছে বলে কলকলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাসিম জানিয়েছেন।
চেয়ারম্যান আব্দুল হাসিম জানান, সম্প্রতিকালে বন্যায় ইউনিয়নের ১২শত’ পরিবার পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগ পড়েছিলেন। গত কয়েকদিনের পরিস্থিতি উন্নতি হলেও দ্বিতীয় দফায় বন্যায় ৮শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এরমধ্যে ৩৫টি পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। গতকাল দুই শতাধিক দুর্গত পরিবারের মধ্যে চাল বিতরণ করেছি আমরা।
রানীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা জানান, বন্যায় ইউনিয়নের চার গ্রামের ৬ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এরমধ্যে চার শতাধিক বসতঘরে পানি ওঠেছে।
দাসনাগাঁও গ্রামের ইউপি সদস্য রনধীর কান্ত দাস নান্টু বলেন, বন্যায় গৃহহীন হয়ে পড়েছেন ৫০টি পরিবার। তাদের কে উচুঁ এলাকায় আত্মীয় স্বজনদের বাড়ীতে আশ্রায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুইদফা বন্যায় দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুল আলম মাসুম জানান, বন্যা পরিস্থিত আমরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দুর্গতের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।


