গুমাই নদীতে ট্রলারডুবি, নিহতের স্বজনদের পাশে এমপি রতন

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার গুমাই নদীতে ট্রলার ডুবিতে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর ইউনিয়নের ইনাতনগর গ্রামের নিহত ৯ জনের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। তিনি সোমবার সকাল ৯টার দিকে ইনাতনগর গ্রামে গিয়ে নিহতের স্বজনদের নগদ অর্থ সহায়তা করার পাশাপাশি শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। এ সময় ট্রলারডুবিতে বেঁচে যাওয়া তৌফিক মিয়ার লেখাপড়ার দায়িত্ব নেন তিনি। ইনাতগর গ্রামের হাবিকুল মিয়ার ছেলে তৌফিক মিয়া ট্রলারডুবিতে তার মা, এক বোন ও এক ভাইকে হারিয়েছে। তৌফিক মিয়া মধ্যনর বিপি হাই স্কুল এন্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। এ সময় অন্যানের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, থানা আওয়ামী লীগ নেতা আ. শহীদ, অমরেশ রায় চৌধুরী, থানা যুবলীগের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ কান্তি সরকার, মধ্যনগর থানার ওসি মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
গত ৯ সেপ্টেম্বর সকালে মধ্যনগর থেকে একটি যাত্রীবাহী ট্রলার ৩৫/৪০ জন যাত্রী নিয়ে নেত্রকোনার ঠাকুরাকোনা যাওয়ার পথে গুমাই নদীতে বাল্কহেড নৌকার সাথে মুখোমুখী সংঘর্ষে যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিনই ১০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার দুই দিন পর আরও দুই জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ১২ জনের মধ্যে ইনাতনগর গ্রামেরই ৯ জন। অন্য তিন জনের মধ্যে দুই জন একই উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের ও অন্য একজন নেত্রকোনার মেদনী গ্রামের বাসিন্দা।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, ‘ট্রলারডুবিতে নিহত তৌফিক তার মা, ভাই-বোনকে হারিয়েছে। আমি তার লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছি। তার কাছ থেকে কোনো প্রকার বেতন, ফি আদায় না করার জন্য তার বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বলে দিয়েছি। তার সমস্ত বেতন এবং ফি আমি পরিশোধ করবো।’