দিরাই-শাল্লার প্রশাসনের কর্মকর্তা প্রত্যাহার দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
শাল্লার নোয়াগাঁও গ্রামে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় দিরাই- শাল্লা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার চায় বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটি।
রোববার ঘটনাস্থল পরির্দশন শেষে নোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত সমাবেশে এই দাবি জানান সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. আনোয়ার হোসেন সুমন।
সমাবেশে তিনি বলেন, ঘটনায় প্রশাসনের ব্যর্থতা রয়েছে। ১৬ মার্চ রাতে ফেসবুকের স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে মাইকে ঘোষণা হয়েছে হামলার। পরদিন ১৭ মার্চ সকালে দিরাই থানার চন্ডিপুর, নাচনী, চন্দ্রপুর ও ধনপুর গ্রামের মানুষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা করেছে নোয়াগাঁও গ্রামে। হামলার আগে নোয়াগাঁওবাসি মাইকে ঘোষণার কথা জানিয়েছে প্রশাসনকে। এমনকি প্রশাসনের উপস্থিতিতে দারাইন নদী পার হয়ে হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. আনোয়ার হোসেন সুমন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নি¤œ আয়ের। ঘরের যে অবস্থা হয়ে আছে, সামনে বৈশাখী ঝড়ে টিকবে না। তখন খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে। এজন্য প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক ১ লাখ টাকা করে সহায়তা প্রদান করতে হবে। এছাড়াও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে দ্রুত প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান বক্তারা।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা সিপিবি’র সভাপতি অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার, যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নিরঞ্জন দাস খোকন, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দুর্যোধন দাস দুর্জয়, দিরাই উপজেলা যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হিরন্ময় দাস, সাবেক ব্যাংকার অভিনাশ দাস, যুবনেতা তাপস রঞ্জন, ছাত্রনেতা সৈকত দাস প্রমুখ।